
আহমেদাবাদ: মাঝরাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হল বিধায়ককে (MLA)। অসম পুলিশের (Assam Police) তরফে বুধবার রাতে গুজরাটের (Gujarat) বিধায়ক জিগনেশ মেভানি(Jignesh Mevani)-কে গ্রেফতার করা হয়। আজ সকালেই তাঁকে অসমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর টুইট করার জন্যই অসমের এক বিজেপি নেতা অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ পালানপুরের সার্কিট হাউস থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরে তাঁকে আহমেদাবাদে আনা হয়। এদিন সকালে তাঁকে অসমে নিয়ে আসা হয়। জানা গিয়েছে, অসমের কোকরাঝড়ের এক বিজেপি নেতা গুজরাটের ওই বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এফআইআর অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা ছড়ানোর অভিযোগও করা হয়েছে।
জিগনেশ মেভানির সহকারি সুরেশ জাট বলেন, “অসম পুলিশের আধিকারিকেরা যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে বলা হয়েছে মেভানি সম্প্রতি যে টুইট করেছিলেন, তার ভিত্তিতেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তিনি নাথুরাম গডসের নামে টুইট করেছিলেন, যা ইতিমধ্যেই টুইটার কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দিয়েছে।”
জানা গিয়েছে, মেভানিকে গ্রেফতার করার পর প্রথমে সড়কপথে আহমেদাবাদ আনা হয় এবং তারপর এদিন সকালে বিমানে করে অসমে নিয়ে আসা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর পেয়েই গুজরাট কংগ্রেস সভাপতি জগদীশ ঠাকুর সহ কংগ্রেসের একাধিক কংগ্রেস নেতা বিমানবন্দরে ছুটে যান। মেভানিকে আটকাতে না পেরে তারা বিমানবন্দরেই বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
দলিত নেতা জিগনেশ গুজরাটের ভাদগামের নির্দল বিধায়ক। তিনি রাষ্ট্রীয় দলিত অধিকার মঞ্চ দলের কনভেনারও। গতবছরই তিনি কংগ্রেসকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। পেশায় তিনি আইনজীবী তথা সমাজ সংস্কারক। আগে সাংবাদিকতাও করেছেন তিনি।
জিগনেশ জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। গতবছর কানহাইয়া কুমার যখন কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন, সেইসময়ই জিগনেশ জানিয়েছিলেন তিনি কংগ্রেসে যোগ না দিলেও, দলকে সমর্থন জানাবেন।