Jhansi: অযোধ্যাগামী ট্রেনে স্বামীর মৃতদেহের পাশে ১৩ ঘন্টা ধরে বসে স্ত্রী!
Jhansi: সন্তানকে নিয়ে সুরাট থেকে আহমেদাবাদ-অযোধ্যা সবরমতি এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন এই দম্পতি। সপরিবারে অযোধ্যা যাচ্ছিলেন তাঁরা। স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তান ছাড়াও, তাঁরদে সঙ্গে আরও এক ব্যক্তিও ছিলেন। ট্রেনে ওঠার কিছু পরেই, স্ত্রীর পাশে বসে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন স্বামী।

ঝাঁসি: ঘটনাটা যতটাই অদ্ভুত, ঠিক ততটাই মর্মান্তিক। অজান্তেই ট্রেনে ১৩ ঘণ্টা ধরে স্বামীর মৃতদেহের পাশে বসে থাকলেন স্ত্রী। সন্তানকে নিয়ে সুরাট থেকে আহমেদাবাদ-অযোধ্যা সবরমতি এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন এই দম্পতি। সপরিবারে অযোধ্যা যাচ্ছিলেন তাঁরা। স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তান ছাড়াও, তাঁরদে সঙ্গে আরও এক ব্যক্তিও ছিলেন। ট্রেনে ওঠার কিছু পরেই, স্ত্রীর পাশে বসে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন স্বামী। তাঁর সেই ঘুম আর ভাঙেনি। অযোধ্যা যাওয়া হয়নি তাঁর।
কয়েক ঘণ্টা পরও, তাঁর ঘুম ভাঙছে না দেখে পরিবারের অন্যান্যরা এবং সহযাত্রীরা তাঁকে ঘুম থেকে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, তিনি সাড়া দেননি। ক্রমে তাঁর পরিবারের উদ্বেগ বাড়ে। তাঁকে পাগলের মতো ধাক্কা মেরে তোলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু, তাঁদের সকল প্রচেষ্টা বৃথাই গিয়েছিল। কিছুক্ষণ পর তাঁরা বুঝতে পারেন, ওই ব্যক্তি আর বেঁচে নেই। হতচবাক হয়ে যান তাঁর স্ত্রী এবং অন্যান্যরা। যে ব্যক্তি একেবারে স্বাভাবিক অবস্থায় ট্রেনে উঠেছিলেন, যাত্রার মাঝপথে যে তাঁর মৃত্যু হয়েছে তা তাঁরা বুঝতেই পারেননি। অবশ্য বোঝার পরও, অবিশ্বাস কাটেনি তাঁদের।
পরে, ডাক্তারি পরীক্ষায় জানা যায়, প্রায় ১৩ ঘন্টা আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। ১৩ ঘণ্টা ধরে তাঁর স্ত্রী এবং পরিবারের বাকিরা তাঁর পাশেই বসেছিলেন। তার মধ্যে যে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তা কেউ টেরও পাননি। অবশেষে, রেলের এক চিকিৎসক এসে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এরপর তাঁর দেহ ঝাঁসি স্টেশনে নামানো হয়। সেই সময় ঝাঁসি স্টেশনে রেলের চিকিৎসক ও রেল পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল। এই ঘটনায় ওই বগির যাত্রীদের মধ্যেও বিস্ময় তৈরি হয়েছে। এই ভাবে একজন সম্পূর্ণ সুস্থ কোনও মানুষের মৃত্যু হতে পারে, তা তাঁরা ভাবতেই পারছেন না। তবে, পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির দেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। তাহলেই তাঁর মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।
