AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hate speech: বৃন্দা কারাতের আবেদনের ভিত্তিতে অনুরাগ ঠাকুর-পরবেশ ভার্মাকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

Brinda Karat hate speech case: সোমবার (১৭ এপ্রিল), সিপিআইএম নেত্রী বৃন্দা কারাতের এক আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এবং বিজেপি নেত্রী পরবেশ ভার্মাকে নোটিস পাঠালো সুপ্রিম কোর্ট। ২০২০ সালে তাঁরা হেট স্পিচ বা ঘৃণামূলক বক্তৃতা দিয়েছেন দাবি করে এই দুই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আবেদন করেছিলেন সিপিআইএম নেত্রী।

Hate speech: বৃন্দা কারাতের আবেদনের ভিত্তিতে অনুরাগ ঠাকুর-পরবেশ ভার্মাকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
বৃন্দার অভিযোগের ভিত্তিতে দুই বিজেপি নেতাকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের
| Edited By: | Updated on: Apr 17, 2023 | 8:08 PM
Share

নয়া দিল্লি: সোমবার (১৭ এপ্রিল), সিপিআইএম নেত্রী বৃন্দা কারাতের এক আবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এবং বিজেপি নেত্রী পরবেশ ভার্মাকে নোটিস পাঠালো সুপ্রিম কোর্ট। ২০২০ সালে তাঁরা হেট স্পিচ বা ঘৃণামূলক বক্তৃতা দিয়েছেন দাবি করে এই দুই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আবেদন করেছিলেন সিপিআইএম নেত্রী। নিম্ন আদালত তাঁর এফআইআর-এর আবেদন ফিরিয়ে দেওয়ার পর, দিল্লি হাইকোর্ট সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন বৃন্দা কারাত। কিন্তু উচ্চ আদালতও বৃন্দা কারাতের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। দিল্লি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একটি লিভ পিটিশন দায়ের করেছিলেন সিপিআইএম নেত্রী। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এদিন অনুরাগ ঠাকুর ও পরবেশ ভার্মাকে নোটিস পাঠালো সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি কেএম জোসেফ এবং বিচারপতি বিভি নাগারত্নের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, এই ক্ষেত্রে এফআইআর নথিভুক্ত করার জন্য অনুমোদনের প্রয়োজন বলে জানিয়েছিল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। সেই রায় ভুল ছিল। দুই বিজেপি নেতাকেই তিন সপ্তাহের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আবেদনে, বৃন্দা কারাত দুই নেতার দেওয়া বেশ কয়েকটি বক্তৃতার কথা উল্লেখ করেছেন। বেশিরভাগই, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া। বৃন্দার আইনজীবী আদালতকে জানান, সেই সকল বক্তৃতার জেরে নির্বাচন কমিশন বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য দুই নেতার প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল। শুধু তাই নয় তিনি দাবি করেছেন যে, অনুরাগ ঠাকুরের বক্তৃতা এক ব্যক্তিকে গুলি চালাতেও প্ররোচিত করেছিল। দিল্লি হাইকোর্টও এক সমান্তরাল কার্যধারায় ওই বক্তৃতাগুলি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছে।

তিনি আরও যুক্তি দেন, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে যে এফআইআর দায়ের করার ক্ষেত্রে অনুমতি প্রয়োজন বলা হয়েছিল, সেই অনুমতি শুধুমাত্র দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ক্ষেত্রে লাগে। ভারতীয় দণ্ডবিধিতে এর কোনও প্রয়োগ নেই। শুধু তাই নয়, তিনি গত বছর সুপ্রিম কোর্টেরই দেওয়া এক রায়ের কথাও উল্লেখ করেন। যে রায়তে বলা হয়েছিল, হেট স্পিচের ক্ষেত্রে কোনও অভিযোগ ছাড়াই পুলিশকে সুরোমোটো মামলা দায়ের করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এই মামলা শুধু কোনও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের রায় খারিজ করা নয়, বরং এই ক্ষেত্রে এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ করা হবে, তার গাইডলাইন তৈরির বিষয়।

শুনানির সময় বিচারপতি কেএম জোসেফ এই মামলায় ১৫৩-র ক ধারা কেন যুক্ত করা হয়েছে, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩-র ক ধারায় অযৌক্তিকভাবে কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা শ্রেণির ধর্ম, জাতি, জন্মস্থান, বাসস্থান, ভাষা ইত্যাদিকে আক্রমণকারীদের শাস্তি দেওয়া হয়। বৃন্দা কারাতের আইনজীবী জানান, একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে শাহিনবাগে ধরনারত এক বিশেষ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হেট স্পিচ দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণেই এই ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিচারপতি জোসেফ আরও জানতে চান, ১৫৩-র ক ধারা ছাড়া ভারতীয় দণ্ডবিধির আর কোনও ধারা এই ক্ষেত্রে যুক্ত করা যায় কি? তিনি প্রশ্ন করেন, ধর্ম নির্বিশেষে বিশ্বাসঘাতকদের হত্যা করতে বলা কি অপরাধ? বৃন্দার আইনজীবী বলেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার অধীনে প্ররোচনার অপরাধের অভিযোগ আনা যেতে পারে।

Follow Us