Mamata Banerjee: প্যাঁচে পড়েছেন মমতা, সব হারিয়ে শেষে বামদেরই প্রস্তাবে সাড়া মমতার

Mamata Banerjee Congress PM Face: বৈঠকে বিরোধী ঐক্যের রূপরেখা বোঝাতে গিয়ে কেরলের উদাহরণ টেনে আনেন রাহুল গান্ধী। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কেরলে কংগ্রেস ও বামেরা পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়লেও দিল্লিতে তারা একজোট। জাতীয় রাজনীতির বৃহত্তর দায়বদ্ধতার কথা যেন কোনও রাজনৈতিক দলই ভুলে না যায়, সেই বার্তাই দেন রাহুল।

Mamata Banerjee: প্যাঁচে পড়েছেন মমতা, সব হারিয়ে শেষে বামদেরই প্রস্তাবে সাড়া মমতার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 01, 2026 | 11:52 AM

নয়াদিল্লি: ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের সাম্প্রতিক বৈঠকে এক তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হল। বৈঠকে বাম নেতাদের প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে নিজের নমনীয় অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, কনস্টিটিউশন ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি সিভিল সোসাইটি ও বুদ্ধিজীবীদেরও একজোট করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বাম প্রস্তাব সমর্থন ও মমতার উদ্যোগ

বৈঠকে সিপিআই(এম) নেতা এম এ বেবি প্রস্তাব দেন, বিজেপি বিরোধী সব দল, সিভিল সোসাইটি ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের একসঙ্গে আনা দরকার। এই প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গে সমর্থন জানিয়ে মমতা জানান, তিনি ইতিমধ্যেই বিরোধী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন এবং গত মঙ্গলবার ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের সঙ্গেও কথা বলেছেন। এর পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশন অভিযানের বিষয়ে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা জি দেবরাজনের প্রস্তাবকে অত্যন্ত ভাল বলে সমর্থন করেন মমতা। সমর্থন করেন রাহুলও।

প্রসঙ্গত, বাংলায় ৩৪ বছরের বাম শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর থেকে মমতার রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটানো। ক্ষমতায় আসার পরও বামেদের বিরুদ্ধে আক্রমণের শান বাড়িয়েছেন। এমনকি কয়েক মাস আগে পর্যন্তও বিজেপি বিরোধিতায় যখন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট তৈরি হল তখন বিরোধী ঐক্যের স্বার্থে এক মঞ্চে থাকলেও সিপিএম নিয়ে বরাবর আপত্তি ছিল মমতার। আর এখন! বিজেপি বিরোধিতায় অতীত বৈরিতা ভুলে বাম ও অতিবাম দলগুলোকে একজোট হওয়ার আহ্বান এর আগেও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলার সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অবশ্য খোঁচা, “আসলে প্যাঁচে পড়লে তো অনেকেই অনেক কিছু করেন। এখন তো আর তৃণমূল দলটা নেই। যেটা আছে, তিনি যে তৃণমূলের নেত্রী, সেটা প্রমাণ করার মরিয়া চেষ্টা চলছে।” তবে তিনি এটাও বলেছেন, “জ্ঞানেশ কুমার যা করেছেন, তার বিরুদ্ধে দল মত নির্বিশেষে সকলকে একজোট হয়ে দাঁড়াতে হবে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us