India-Bangladesh : জ্বালানি সংকটেও বাংলাদেশের পাশে ভারত, আরও ৬ হাজার টন ডিজেল যাচ্ছে ঢাকায়

India-Bangladesh Relation : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। সমস্যা পড়ে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য আবেদন জানিয়েছিল ঢাকা। প্রাথমিকভাবে ভারতের তরফে জানানো হয়েছিল,দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপরই অসমের রিফাইনারি থেকে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন ব্যবহার করে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

India-Bangladesh : জ্বালানি সংকটেও বাংলাদেশের পাশে ভারত, আরও ৬ হাজার টন ডিজেল যাচ্ছে ঢাকায়
বাংলাদেশের পাশে ভারতImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Mar 28, 2026 | 3:29 PM

নয়াদিল্লি : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট বিশ্বজুড়ে। প্রভাব পড়েছে ভারতেও। তবে, উদ্বেগ পরিস্থিতির মধ্যেই ফের পড়শি দেশের পাশে দাঁড়াল ভারত। বাংলাদেশকে আরও ডিজ়েল পাঠাল ভারত। জানা গিয়েছে,আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আরও ৬ হাজার টন ডিজেল পাইপ লাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। সূত্রের খবর, এপ্রিল মাসে অসমের নিউমালিগড় তৈল শোধনাগার থেকে মোট ৪০ হাজার টন ডিজেল পাঠানো হবে বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। সমস্যা পড়ে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের জন্য আবেদন জানিয়েছিল ঢাকা। প্রাথমিকভাবে ভারতের তরফে জানানো হয়েছিল,দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপরই অসমের রিফাইনারি থেকে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন ব্যবহার করে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালে শেখ হাসিনা গদিচ্যুত হওয়ার পর ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপ লাইন বন্ধ হয়ে যায়। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফের পাইপ লাইনে ডিজেল সাপ্লাই শুরু হয়েছে। নতুন করে পরিষেবা শুরু হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত মোট ১৫ হাজার টন ডিজেল গিয়েছে বাংলাদেশে। শুক্রবারই ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজ়েল পৌঁছেছে বাংলাদেশে।

এদিকে রাশিয়ার সঙ্গে এলএনজি সরবরাহ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে ভারত। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতকে তেল এবং গ্যাস দিতেও আগ্রহী রাশিয়া। সূত্রের খবর, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং রাশিয়ার এনার্জি মিনিস্টারের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এলএনজি রফতানি বন্ধ রেখেছিল রাশিয়া। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আবহে ফের পরিষেবা শুরু করতে আগ্রহী তারা। যুদ্ধের আবহাওয়া রাশিয়ার থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দিয়েছে আমেরিকা। কিন্তু পাকাপাকিভাবে নতুন চুক্তি সম্পন্ন করার পদক্ষেপ ভারত নেবে কিনা সেদিকেই নজর সব মহলের।

সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বছরে বাংলাদেশের ডিজ়েলের চাহিদা প্রায় ৪০ লাখ টন, যা সম্পূর্ণভাবে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। তিনি আরও বলেন, “প্রায় ৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়, যা বাংলাদেশের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করে ব্যবহার করা হয়। বাকি ডিজেল সরাসরি পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করা হয়।”

Follow Us