IPAC Case: ‘এই নিয়ে তর্ক করবেন না’, কল্যাণের যুক্তি খারিজ করে দিলেন বিচারপতি মিশ্র
Supreme Court: মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "কারণ তাঁরা ইডি-তে পোস্টেড অফিসার হলেও, আসলে তাঁরা রাজস্ব দফতরের অফিসার। অর্থাৎ তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি মন্ত্রকের অধীনে কাজ করেন।" কল্যাণের যুক্তি, এই অফিসাররা তাঁদের দায়িত্ব পালন করছিলেন, তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে কিছু করছিলেন না।

নয়া দিল্লি: আইপ্যাক মামলায় মঙ্গলবার সকাল থেকেই ইডি-র এক্তিয়ার নিয়ে ফের একবার প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। অন্যদিকে, বিচারপতি মিশ্র উল্লেখ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তল্লাশির জায়গায় ঢুকেছিলেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ফের সওয়াল শুরু করেন কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে বিচারপতি মিশ্র প্রশ্ন করেন, ইডি অফিসাররা কেন মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন তুলতে পারবেন না? উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কারণ তাঁরা ইডি-তে পোস্টেড অফিসার হলেও, আসলে তাঁরা রাজস্ব দফতরের অফিসার। অর্থাৎ তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি মন্ত্রকের অধীনে কাজ করেন।” কল্যাণের যুক্তি, এই অফিসাররা তাঁদের দায়িত্ব পালন করছিলেন, তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে কিছু করছিলেন না।
কল্যাণ এদিন প্রশ্ন তোলেন, এতদিন চুপ থেকে কেন ভোটের আগে তৎপর হল ইডি। এ কথা শুনে বিচারপতি মিশ্র বলেন, “শুধু ভোট সামনে বলে আমরা এই মামলা শুনছি না। কোর্ট কোনও রাজনৈতিক দলকে ভোটে জেতাতে চায় না। আমরা চাই না কোনও রাজনৈতিক দল কোনও অপরাধ করুক। সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও সময় নেই। এটা নিয়ে তর্ক করবেন না।”
এদিন শুনানি চলাকালীন কপিল সিব্বলের উদ্দেশে বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র বলেন, “আপনি বলছেন, ইডির তদন্ত চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তল্লাশির জায়গায় ঢুকে পড়লেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হবে। আর তাঁরা বিচারের আশা করবেন? এটা ফ্যাক্ট যে মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তল্লাশির জায়গায় ঢুকেছেন।”
