
নয়াদিল্লি : বন্ধু ভারতের জন্য হরমুজ় প্রণালী খুলে দিয়েছে ইরান। অন্তত সেরকমটাই দাবি করেছেন তেহরানের বিদেশমন্ত্রী। একের পর এক এলপিজি ট্যাঙ্কারও ভারতে প্রবেশ করছে। ইতিমধ্যেই আরও দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কার হরমুজ় পারাপারের অনুমতি পেয়েছে। জানা গিয়েছে, ৯২ হাজার মেট্রিক টনের বেশি গ্যাস আসতে চলেছে ভারতে। ইতিমধ্যেই দু’টি জাহাজ নিরাপদে হরমুজ় পার করেছে বলে খবর। যা সংকট পরিস্থিতিতে স্বস্তির খবর বলা যেতে পারে। উল্লেখ্য, শুক্রবারই জগ বসন্ত নামে একটি তেলের ট্য়াঙ্কার ভারতে পৌঁছেছে।
জানা গিয়েছে, পারস্য উপসাগর থেকে দুটি ভারতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই দু’টি ট্যাঙ্কার হল বি ডব্লিউ টিয়াইআর এবং গ্রিন সানভি। প্রতিটি জাহাজে ৪৫ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি এলপিজি রয়েছে। সব মিলিয়ে ৯০ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি গ্যাস ভারতে নিয়ে আসছে এই দুটি জাহাজ। এই এলপিজি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ভারতের বন্দরগুলিতে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহের ওপর চাপ কমবে। গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সাহায্য করবে। এর আগে শিবালিক, নন্দা দেবী, পাইন গ্যাস এবং জগ বসন্ত-এর মতো ভারতীয় এলপিজিবাহী জাহাজ সফলভাবে হরমুজ় পার করে ভারতে পৌঁছেছে।
এদিকে আরও একটা খবর সামনে এসেছে, হরমুজ়ে আটকে থাকা ২০টি জাহাজ অবশেষে ফিরতে পারে ভারতে। মার্চ মাসের শুরুর দিকে হরমুজ় প্রণালীতে মোট ৩৮টি জাহাজ আটকে ছিল। পরে সেই জাহাজের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ২২। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, হরমুজ়ে এখন ২০টি জাহাজ আটকে রয়েছে। এবার সেই জাহাজগুলিও ধীরে ধীরে ভারতে আসতে শুরু করবে। কিন্তু, তার মধ্যেও একটা আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আটকে থাকা জাহাজগুলি ফিরতে পারছে না। হরমুজ় দিয়ে চলাচল করতে পারছে না। সূত্রের খবর, লাগাতার চার সপ্তাহ ধরে যুদ্ধের ফলে হরমুজ প্রণালীতে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে জিপিএস পরিষেবা। ইন্টারনেট কাজ করছে না। তার জেরে ইরান ছাড় দিলেও, জাহাজগুলি এগোতে পারছে না।