
নয়াদিল্লি : যুদ্ধ থামার ইঙ্গিত নেই। বাড়ছে উদ্বেগ। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এলপিজি সংকট তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বাকি দেশগুলির মতো ভারতেও যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। গ্য়াসের দাম বেড়েছে। দেশের অভ্যন্তরে তেল কতটা মজুত রয়েছে, তা নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। যদিও, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। এরই মধ্যে আরও একটা স্বস্তির খবর। ভারতে এসে পৌঁছল আরও একটি এলপিজি জাহাজ জাগ বসন্ত। ইতিমধ্যেই গুজরাটের কাণ্ডলা বন্দরে পৌঁছেছে এলপিজি ট্যাঙ্কার।
সোমবারই ভারতের উদ্দেশে জাগ বসন্ত রওনা দেয়। জানা গিয়েছে, জাহাজটিতে প্রায় ৪২ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি রয়েছে। পাশাপাশি পাইন গ্যাস নামে আরও একটি এলপিজি ট্যাঙ্কার ভারতের উদ্দেশে রওনা দেয়। তবে অন্যপথে দু’টি ট্যাঙ্কার এসেছে বলে খবর। আরব সাগরের সহজ-সরল পথ এড়িয়ে এই জাহাজগুলি কেশম-লারাক প্রণালী দিয়ে হরমুজ প্রণালী পার করে। উল্লেখ্য, এর আগে বন্দর, নৌ-পরিবহণ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানান, জগ বসন্ত নিরাপদে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে । ২৬ মার্চ ভারতে পৌঁছনোর কথা রয়েছে।
ভারতে এই নিয়ে তৃতীয় এলপিজি ট্যাঙ্কার এসে পৌঁছেছে। জগ বসন্তের আগে নন্দা দেবী এবং শিবালিক নামে আরও দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কার গুজরাটের বন্দরে নোঙর করেছিল। ১৬ মার্চ শিবালিক গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দরে পৌঁছয়। তার একদিন পর নন্দা দেবী গুজরাটের ভাদিনা বন্দরে নোঙর করে। জাহাজ দু’টি ৯২ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি এলপিজি নিয়ে ভারতে এসেছে।
এদিকে, ইরানের থেকে এলপিজি কেনা শুরু করেছে ভারত। ভারতীয় উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ট্যাংকার আরোরা।সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ম্যাঙ্গালোর বন্দরে পৌঁছবে এই জাহাজ। উল্লেখ্য, আমেরিকার চাপে ২০১৯-এর পর থেকে ইরানের থেকে এলপিজি কেনা বন্ধ করেছিল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ় প্রণালী বন্ধ থাকায়. রাশিয়া, ইরান থেকে তেল এবং এলপিজি কেনার ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দিয়েছে আমেরিকা।