Kedarnath: মাইলের পর মাইল হাঁটতে হবে না, কেদারনাথ দর্শন করতে পারবেন মাত্র ৩৬ মিনিটে!
Kedarnath Temple: কেবল কেদারনাথের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় এই প্রকল্পটি। গোবিন্দঘাট-ঘাঙ্গারিয়া-হেমকুণ্ড সাহেব পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে ১২.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে প্রকল্পের জন্যও দরপত্র ডাকা হয়েছে, যার খরচ ধার্য করা হয়েছে প্রায় ২,৭৩০ কোটি টাকা।

দেহরাদুন: কেদারনাথ যাওয়ার স্বপ্ন অনেকদিনের, কিন্তু এতটা পথ হাঁটতে পারবেন না বলে পিছিয়ে আসেন। তাহলে আপনার জন্য রইল দারুণ খবর। এবার কেদার যাত্রায় ৮-৯ ঘণ্টা হাঁটতে হবে না। মাত্র আধ ঘণ্টাতেই পৌঁছে যাবেন শিবের চরণে। কীভাবে জানেন? রোপওয়েতে চড়ে।
পুণ্যার্থীদের কথা ভেবেই কেদারনাথ যাত্রা আরও সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন মিলেছে সম্প্রতি। সরকার পিপিপি মোডে রোপওয়ে তৈরি করবে। এর জন্য মোট ৪০৮১ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সরকার সূত্রে খবর, আগামী ৬ বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে। এরপর সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ যেতে মাত্র ৩৬ মিনিট সময় লাগবে। এই রোপওয়ে তৈরির ফলে কেদারনাথে আসা লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীদের সুবিধা হবে। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে, গৌরীকুণ্ড থেকে কেদারনাথ ধাম পর্যন্ত ৯.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে তৈরি করা হবে।
কেবল কেদারনাথের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় এই প্রকল্পটি। গোবিন্দঘাট-ঘাঙ্গারিয়া-হেমকুণ্ড সাহেব পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে ১২.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে প্রকল্পের জন্যও দরপত্র ডাকা হয়েছে, যার খরচ ধার্য করা হয়েছে প্রায় ২,৭৩০ কোটি টাকা।
রোপওয়ে প্রকল্পটি ট্রাই-কেবল ডিটাচেবল গন্ডোলা (3S) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি হবে, যেখানে একসঙ্গে ৩৬ জন যাত্রী ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রতিদিন ১৮,০০০ ভক্ত এবং বছরে ৩২ লক্ষ ভক্ত এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
এই প্রকল্প যেহেতু সরকারি-বেসরকারি মডেলে তৈরি হবে, তাই রোপওয়ে চালু হওয়ার পর ৩৫ বছর তা একটি বেসরকারি কোম্পানি পরিচালন করবে। জানা গিয়েছে, গৌতম আদানির সংস্থা, আদানি এন্টারপ্রাইজেস এই প্রকল্পে ৪২ শতাংশ রাজস্ব ভাগের প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া ন্যাশনাল হাইওয়ে লজিস্টিকস ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ( NHLML)-ও প্রকল্পে সামিল হতে আগ্রহ দেখিয়েছে।

