
নয়া দিল্লি: লোকসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ভোট প্রচারে নেমে প্রচারে নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। প্রচারে ভিড় টানতে নানা পন্থাও অবলম্বন করছেন প্রার্থীরা। কেউ প্রচারে আসা কর্মী-সমর্থকদের বিরিয়ানি খাওয়াচ্ছেন, কেউ আবার চা-সিঙারা খাইয়েই সমর্থকদের সন্তুষ্ট রাখছেন। তবে অগাধ এই খরচ করা যাবে না আর। নির্বাচনী প্রচারে কত খরচ করা যাবে, তার সীমা বেধে দিল নির্বাচন কমিশন।
আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগেই নির্বাচন কমিশনের তরফে বিভিন্ন রাজ্যে প্রচারে কত খরচ করা যাবে, তার সীমা স্থির করে দেওয়া হল। অন্ধ্র প্রদেশে প্রার্থীদের প্রচারে সর্বাধিক ৯৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে পারবেন। অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ও সিকিমে প্রার্থীরা সর্বাধিক ৭৫ লক্ষ টাকা অবধি খরচ করতে পারলেন। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতেও খরচের সীমা ৭৫ থেকে ৯৫ লক্ষ টাকা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, পঞ্জাবের জলন্ধরের প্রার্থীরা প্রচারে প্রতি কাপ চা পিছু সর্বাধিক ১৫ টাকা খরচ করতে পারবেন। মিটিং-মিছিলে যোগ দেওয়া সাধারণ জনতাকে সিঙারা বা অন্য কোনও স্ন্যাক্স খাওয়ানোর জন্যও সর্বাধিক ১৫ টাকা মাথা পিছু খরচ করতে পারবেন। জলন্ধরে প্রার্থীরা যদি সমর্থকদের ছোলে-ভাটুরে খাওয়ান, তবে মাথা পিছু ৪০ টাকার বেশি খরচ করা যাবে না। চিকেন ও মাটন খাওয়াতে হলে কেজি প্রতি যথাক্রমে ২৫০ টাকা ও ৫০০ টাকা খরচ করা যাবে। ঘি পিন্নি খাওয়াতে হলে সর্বাধিক ৩০০ টাকা প্রতি কেজি খরচ করা যাবে। লস্যি বা লেবু জল খাওয়ালে গ্লাস পিছু ২০ টাকা ও ১৫ টাকা খরচ করা যাবে।
মধ্য প্রদেশের মান্ডলার প্রার্থীরা আবার চা পিছু ৭টাকা এবং সিঙারা পিছু সাড়ে ৭টাকা খরচ করতে পারবেন। প্রার্থীদের এই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই খরচ করতে হবে। ওই রাজ্যেরই বালাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থীরা আবার চায়ের জন্য ৫ টাকা ও সিঙারার জন্য সর্বাধিক ১০ টাকা খরচ করতে পারবেন। ইডলি, সাম্বার, পোহা-জিলিপি খাওয়ানোর জন্য সর্বাধিক ২০ টাকা খরচ করতে পারবেন প্রার্থীরা।
মণিপুরে চা, সিঙারা, কচুরি, গজা খাওয়ানোর জন্য মাথা পিছু ১০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। হাঁস বা শুয়োরের মাংস খাওয়াতে চাইলেও সর্বাধিক ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি প্রতি খরচ করা যাবে। চিকেন, মাটনেরও দর একই ধার্য করা হয়েছে।
চেন্নাইয়ে চায়ের জন্য মাথা পিছু খরচ ১৫ টাকা ও কফির জন্য ২০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। চিকেন বিরিয়ানির জন্য প্রার্থীরা মাথাপিছু সর্বাধিক ১৮০ টাকা খরচ করতে পারবেন।