Isha Foundation: শ্মশান নির্মাণে কোনও বাধা নেই, হাইকোর্টে স্বস্তি ইশা ফাউন্ডেশনের
Isha Foundation: হাইকোর্ট উল্লেখ করেছে, পানীয় জলের উৎস থেকে ৯০ মিটারের মধ্যে শ্মশান তৈরির ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই তামিলনাড়ু ভিলেজ পঞ্চায়েত আইনে। আইন অনুযায়ী, পঞ্চায়েতের তরফ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে শুধুমাত্র। তাহলেই শ্মশান তৈরিতে কোনও বাধা থাকবে না।

নয়া দিল্লি: আদালতে স্বস্তি ইশা ফাউন্ডেশনের। অর্গানাইজেশনের তরফে ‘কালভৈরভার ধাগানা মণ্ডপম’ তৈরির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল। সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। বুধবার মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মনীন্দ্র মোহন শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি জি আরুল মুরুগানের বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি।
হাইকোর্ট উল্লেখ করেছে, পানীয় জলের উৎস থেকে ৯০ মিটারের মধ্যে শ্মশান তৈরির ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই তামিলনাড়ু ভিলেজ পঞ্চায়েত আইনে। আইন অনুযায়ী, পঞ্চায়েতের তরফ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে শুধুমাত্র। তাহলেই শ্মশান তৈরিতে কোনও বাধা থাকবে না।
ডিভিশন বেঞ্চ আরও বলেছে যে, এই শ্মশান তৈরি করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের স্বার্থেই। এতে মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে, তা বলা যায় না। আদালত স্পষ্ট বলেছে, ‘আরও একটি শ্মশান তৈরি হলে, বিশেষত গ্যাসিফায়ার শ্মশান তৈরি হলে, তাতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।’
ইশা ফাউন্ডেশনের শ্মশান তৈরির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মোট ৩টি রিট পিটিশন দায়ের হয়েছিল। বুধবার মাদ্রাজ হাইকোর্টে ছিল তারই শুনানি। শ্মশান নির্মাণে অনুমোদন দিয়েছিল ইক্কারাই বলুভামপাত্তি ভিলেজ পঞ্চায়েত, অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর অব পঞ্চায়েত (রুরাল) ও ডিস্ট্রিক্ট এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার কোয়েম্বাটোর সাউথ।
অভিযোগ ছিল, আইন ভেঙে পানীয় জলের উৎসের ৯০ মিটারের মধ্যে শ্মশান নির্মাণ করা হচ্ছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, শ্মশানের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকছে না।
