High Court on Bye Election: ভোটের পরই পদত্যাগ করলে উপনির্বাচন খরচ বহন করতে হবে তাঁকেই! আবেদন খারিজ হাইকোর্টে
চেন্নাইয়ের সাইদাপ্রেটের এক আইনজীবী কে সুথান এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। তাঁর আর্জি ছিল, নির্বাচন কমিশনকে এমন একটি ব্যবস্থা বা নিয়ম আনতে নির্দেশ দেওয়া হোক, যাতে কোনও নবনির্বাচিত বিধায়ক পদত্যাগ করলে পরবর্তী উপনির্বাচনের খরচ তাকেই বহন করতে হয়, আগামী পাঁচ বছরের জন্য তাঁর নির্বাচনে লড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

চেন্নাই: কোনও বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার ঠিক পর পদত্যাগ করলে এবং সেই পদত্যাগের কারণে উপনির্বাচন হলে তার খরচ বহন করতে হবে ওই ব্যক্তিকেই। এমনি নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল আদালতে। সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। আদালত এ ব্যাপারে কোনও নতুন নিয়ম বা নিয়ন্ত্রণমূলক আইন তৈরি করতে পারে না বলে জানিয়ে দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এই মামলার মাধ্যমে আগামী ৬ অক্টোবর মধুরান্তকম এবং ধারাপুরম বিধানসভা উপনির্বাচনে স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছিল।
প্রধান বিচারপতি সুশ্ৰুত অরবিন্দ ধর্মাধিকারী এবং বিচারপতি জি অরুল মুরুগানের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল এই মামলা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরই এআইএডিএমকে (AIADMK)-র দুই বিধায়ক মারগথম কুমারভেল এবং পি সত্যভামা দলত্যাগ করে টিভিকে (TVK)-তে যোগ দেন। এরপর এসসি সংরক্ষিত তাদের নিজেদের আসন থেকেই পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
চেন্নাইয়ের সাইদাপ্রেটের এক আইনজীবী কে সুথান এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। তাঁর আর্জি ছিল, নির্বাচন কমিশনকে এমন একটি ব্যবস্থা বা নিয়ম আনতে নির্দেশ দেওয়া হোক, যাতে কোনও নবনির্বাচিত বিধায়ক পদত্যাগ করলে পরবর্তী উপনির্বাচনের খরচ তাকেই বহন করতে হয়, আগামী পাঁচ বছরের জন্য তাঁর নির্বাচনে লড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, “এই আবেদন মঞ্জুর করা সম্ভব নয়। এটি পুরোপুরি একটি আইনি নীতির বিষয় বলে উল্লেখ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।
যেহেতু এই আবেদনটি ছয়জন বিধায়কের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল, তাই আদালত স্পষ্ট করে জানায় যে, নীতগতভাবে কোনো ব্যবস্থা কাম্য হলেও, শুধুমাত্র এই ছয়জন ব্যক্তির ওপর আদালতের রায়ভিত্তিক কোনো নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া সংবিধানের ১৪ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী হবে।
