Mamata Banerjee: ‘মেজোরিটি দিয়ে পাস হয়নি’, নির্বাচন কমিশনারের রক্ষাকবচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুললেন মমতা

Mamata Banerjee on CEC: 'দ্য চিফ ইলেকশন কমিশনার অ্যান্ড আদার ইলেকশন কমিশনার্স অ্যাক্ট, ২০২৩'-এ বলা হয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় নেওয়া কোনও পদক্ষেপের জন্য আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা গ্রহণ করতে পারবে না।

Mamata Banerjee: মেজোরিটি দিয়ে পাস হয়নি, নির্বাচন কমিশনারের রক্ষাকবচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুললেন মমতা
মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সাংবাদিক বৈঠকImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Oct 01, 2026 | 6:17 PM

নয়া দিল্লি: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এখন বিরোধীদের অস্ত্র। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সদস্যরা একযোগে কমিশনের বিরুদ্ধে সেই অস্ত্রে শান দিচ্ছে। আন্দোলনে নামার ডাকও দিচ্ছে তারা। বুধবার নয়া দিল্লিতে জোটের বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর আজ, বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বড় প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যে বিলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, সেই বিল নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন তিনি।

২০২৩ সালে সংসদে একটি বিল পাশ হয়। সেই বিলে এক বিশেষ রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনারকে। ‘দ্য চিফ ইলেকশন কমিশনার অ্যান্ড আদার ইলেকশন কমিশনার্স অ্যাক্ট, ২০২৩’-এ বলা হয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় নেওয়া কোনও পদক্ষেপের জন্য আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজদারি মামলা গ্রহণ করতে পারবে না। সেই বিল নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন মমতা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি প্রশ্ন করতে চাই, হার্ট থাকলে তার ইমিউনিটির দরকার হয়। কিন্তু হার্ট কোলাপস হয়ে গেলে, তার আর ইমিউনিটির কী দরকার। ইমিউনিটির নামে আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন না।” তিনি আরও বলেন, “লোকসভা আর রাজ্যসভা থেকে সেইসময় ১৪৭ জন সাংসদকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই সময়ই ওই বিল পাশ হয়। জোর করে বিল পাশ করানো হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে ওই বিল পাস হয়নি। গণতন্ত্রকে শেষ করতে বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করছেন।”

এসআইআর ইস্যুতে যে শুরু থেকেই সরব ছিলেন তিনি, সে কথা এদিন আরও একবার মনে করিয়ে দেন মমতা। তিনি বলেন, “আমরা আদালতেও গিয়েছি। কমিশনে গিয়েছি। কোথাও বিচার মেলেনি। আমাদের বেইজ্জতি করেছে। আমার দলের নেতাদের বলেছে গেট লস্ট। কী ভাবে এমনটা বলতে পারে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যপালও বদলে দেওয়া হয়েছিল। যিনি রাজ্যপাল ছিলেন, তাঁর ৫ বছর শেষ হওয়ার আগেই তাঁকে বের করে দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, বিহারে কংগ্রেস, আরজেডি যখন এসআইআর বুঝেছে, তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।

ইভিএম মেশিনে আগুন লাগানোর অভিযোগ তুলে এদিন জেলা ধরে ধরে তথ্য প্রকাশ করেন মমতা। হিসেব কষে বুঝিয়ে দেন এসআইআরে কত নাম বাদ পড়েছে। কলকাতা ছাড়াও বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলির মতো একাধিক জেলার তথ্য দেন মমতা।

মমতা বলেন, অনেক নির্বাচন কমিশনার দেখেছি। এরকম কোনোদিন দেখিনি। যা দেখেছি, তা দেখানোর জন্যই নথি নিয়ে এসেছি। সব গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবিও জানান তিনি। উল্লেখ্য, কমিশনারের রক্ষাকবচ সম্প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us