
নয়া দিল্লি: ফুটবলার ও খাম প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়াই করবে মমতা ও ঋতব্রত-শিবির। তবে এই প্রতীক-বিভ্রাটের নিষ্পত্তি কবে হবে, পুরভোটে কি স্থায়ী প্রতীক নিয়ে লড়তে পারবেন তাঁরা? এই প্রশ্ন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আজ সোমবারের শুনানিতে সেই সমস্যার নিষ্পত্তি নিয়ে সময় বেঁধে দিল শীর্ষ আদালত।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের শিবিরের মধ্য়ে প্রতীক নিয়ে টানাটানি আগেই পৌঁছেছে কমিশনে। দু’পক্ষ নথিও জমা দিয়েছে। তবে আপাতত উপনির্বাচনে লড়ার জন্য মমতাকে ফুটবলার ও ঋতব্রতকে খাম প্রতীক দিয়েছে কমিশন। এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মামলা দায়ের করেন। মমতা-শিবির চাইছিল, পুর নির্বাচনের আগে নাম-প্রতীকের ইস্যু নিয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা করুক কমিশন। সেই আবেদনই করেছিলেন কপিল সিব্বল।
পুরভোটের আগে মমতা তৃণমূলের নাম-প্রতীক ইস্যুর নিষ্পত্তি হচ্ছে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট। সোমবার থেকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে সব পক্ষকে যাবতীয় নথি কমিশনে জমা দেওয়ার জন্য।এরপর তিন মাস সময় থাকবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের হাতে। তার মধ্যে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নাম-প্রতীকের নিষ্পত্তি করতে সময় লাগবে চার মাস। আগামী নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে পুরভোট হলে, তার আগে কোনও পক্ষেরই স্থায়ী প্রতীক পাওয়া সম্ভব নয়।
কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু জানান, এই নোটিস দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয়। এই ইস্যুতে অন্য মামলার ক্ষেত্রে প্রায় ছয়-আট মাস সময় লেগেছে। একেবারে নিচুতলা থেকে দলের কর্মীদের বক্তব্য শুনতে হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন। অনেক পিটিশন জমা পড়বে। ফলে নির্দিষ্ট সময় জানানো সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।