AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Cabinet: বদলে যাচ্ছে কেরলের নাম, ঝুলে রইল পশ্চিমবঙ্গের আবেদন

কেরল বিধানসভায় প্রথমে একটি প্রস্তাব পাশ হয়। তাতে কিছু প্রযুক্তিগত ভুলের কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পরে আবারও একটি প্রস্তাব পাশ হয়। এই নাম বদলের ক্ষেত্রে উদ্যোগী হয়েছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। প্রতিটি ভাষায় নাম বদলে কথা বলেছিলেন তিনি।

Cabinet: বদলে যাচ্ছে কেরলের নাম, ঝুলে রইল পশ্চিমবঙ্গের আবেদন
Image Credit: PTI
| Updated on: Feb 24, 2026 | 5:11 PM
Share

নয়া দিল্লি: বদলে যাচ্ছে আস্ত একটি রাজ্যের নাম। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে কেরলের নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কেরলে নাম বদলে ‘কেরলম’ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নাম বদলের জন্য আগেই প্রস্তাব পাশ হয়েছে কেরল বিধানসভায়। এরপর কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই দাবি জানিয়ে এসেছে তৃণমূল সরকার। সেই নাম বদলের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি কেন্দ্র।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর রাষ্ট্রপতি একটি বিল রেফার করবেন, যার নাম হবে ‘কেরালা বিল, ২০২৬’। কেরল বিধানসভায় সেই বিল পাঠানো পর কেন্দ্রীয় সরকার প্রেসিডেন্টের সুপারিশে কেরলের নাম বদল করা হবে। কেরল বিধানসভায় প্রথমে একটি প্রস্তাব পাশ হয়। তাতে কিছু প্রযুক্তিগত ভুলের কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পরে আবারও একটি প্রস্তাব পাশ হয়। এই নাম বদলের ক্ষেত্রে উদ্যোগী হয়েছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। প্রতিটি ভাষায় নাম বদলে কথা বলেছিলেন তিনি।

আদতে মালয়ালম ভাষায় কেরলকে বলা হয় কেরলম। মালয়ালম  ও অন্য সব ভাষাভাষির মানুষের মধ্য ঐক্যের বার্তা দিতেই এই নাম বদলের উদ্যোগ নেন বিজয়ন।

পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে বাংলা করার আর্জি বারবার জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের তরফেও ২০১৮ সালে রাজ্যের নাম বদলের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। রাজ্য সরকারের প্রস্তাব ছিল পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে সব ভাষাতেই ‘বাংলা’ লেখা হোক। মমতার যুক্তি ছিল, পশ্চিমবঙ্গের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল হওয়ায় সব ক্ষেত্রেই সবার পিছনে থাকতে হয়, এছাড়া পূর্ববঙ্গ বলে যেহেতু এখন আর কিছু নেই, তাই পশ্চিমবঙ্গ নামেরও কোনও মানে নেই। তবে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে যুক্তি দেওয়া হয় যে, পড়শি রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে রাজ্যের প্রস্তাবিত নাম প্রায় এক হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়নি, প্রস্তাবটি খারিজও করা হয়নি। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এ বিষয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি জানান, মন্ত্রিসভায় যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, শুধু সে কথাই জানাচ্ছেন তিনি।