Andhra Pradesh Crime : বাপের বাড়িতে স্ত্রী, প্রেমিকাকে ডেকে দেহ তিন টুকরো করে ফ্রিজে ভরলেন নেভি অফিসার!

Man Allegedly killed Girlfriend : বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন রবীন্দ্র। ২০২১ সালে একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় হয় রবীন্দ্র ও মৌনিকার। সময়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। প্রায়ই একসঙ্গে ঘুরতেও যেতেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে মৌনিকাকে নিজের গাজুওয়াকার ভাড়াবাড়িতে ডেকে পাঠান রবীন্দ্র। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে পৌঁছনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই দু’জনের মধ্যে তুমুল ঝামেলা হয়। তারপরই ভয়ঙ্কর পরিণতি।

Andhra Pradesh Crime : বাপের বাড়িতে স্ত্রী, প্রেমিকাকে ডেকে দেহ তিন টুকরো করে ফ্রিজে ভরলেন নেভি অফিসার!
অন্ধ্রপ্রদেশে ভয়ঙ্কর ঘটনাImage Credit source: Tv9 Bangla

Mar 30, 2026 | 3:47 PM

বিশাখাপত্তনম : বাপের বাড়ি গিয়েছিলেন স্ত্রী। তার মাঝেই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটালেন স্বামী। প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ নয়। খুনের পর দেহ টুকরো টুকরো করে তারপর তা ফ্রিজে ভরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে বিশাখাপত্তনমের গাজুওয়াকা এলাকায়। মৃতের নাম পলিপল্লি মৌনিকা। চিন্তাদা রবীন্দ্র নাম ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন মার্চেন্ট নেভি অফিসার বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কী ঘটেছে?

বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন রবীন্দ্র। ২০২১ সালে একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় হয় রবীন্দ্র ও মৌনিকার। সময়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। প্রায়ই একসঙ্গে ঘুরতেও যেতেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে মৌনিকাকে নিজের গাজুওয়াকার ভাড়াবাড়িতে ডেকে পাঠান রবীন্দ্র। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে পৌঁছনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই দু’জনের মধ্যে তুমুল ঝামেলা হয়। অভিযোগ, মৌনিকা তাঁদের সম্পর্ক ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন রবীন্দ্রকে। তারপরই ভয়ঙ্কর পরিণতি। তদন্তকারীদের দাবি, মৌনিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, আগের থেকেই খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন রবীন্দ্র। তাঁর স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। সদ্য সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর বাপের বাড়িতেই ছিলেন। অভিযোগ, সেই সুযোগেই বাড়িতে প্রেমিকাকে ডেকে খুন করার পরিকল্পনা করে। পুলিশের দাবি, ছুরি কিনতে একটি দোকানে গিয়েছিলেন রবীন্দ্র। পরে অবশ্য তা অনলাইনে অর্ডার করে। ওই ছুরি দিয়েই মৌনিকার দেহ টুকরো টুকরো করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ তিন টুকরো করা হয়েছে। একটি অংশ রাখা হয় ফ্রিজে, আরেকটি অংশ বস্তায় ভরে খাটের নিচে লুকোনো হয়। আর মাথা ও হাত নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন,কোনও অস্বাভাবিক শব্দ বা কিছুই টের পাননি তাঁরা। বাইরে থেকে সব স্বাভাবিকই লাগছিল।

প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করলেও পালিয়ে যাননি রবীন্দ্র। ঘটনার পরই গাজুওয়াকা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। এরপরই পুলিশ বাড়িতে গিয়ে দেহাংশ উদ্ধার করে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Follow Us