পাকিস্তান থেকে ডিঙি নৌকাতেই ভর্তি করে ৪০০ কোটির ‘সম্পদ’ আনছিল, ধরা পড়ে গেল দেশে ঢুকতেই
Drug Smuggling: এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারিও গুজরাটের উপকূল থেকে ৩৩০০ কেজির মাদক উদ্ধার করা হয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল কয়েকজন পাকিস্তানি নাগরিককে। আন্তর্জাতিক বাজারে ওই ৩৩০০ কেজি মাদকের মূল্য ছিল ২০০০ কোটি টাকা।

আহমেদাবাদ: রাতে মাঝ সমুদ্রে চলছিল গোপন কাজ। পড়শি দেশ থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে ঢুকে পড়ছিল শত্রুরা। তবে তৎপর উপকূল রক্ষী বাহিনীও। মাঝ সমুদ্রে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হল ৬ জন পাকিস্তানি নাগরিককে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ মাদক। যার বাজারমূল্য ৪০০ কোটি টাকা। মঙ্গলবার গুজরাটের পোরবন্দরের কাছ থেকে ওই পাকিস্তানি নাগরিকদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, গুজরাটের পোরবন্দর দিয়েই বিপুল পরিমাণ মাদক ভারতে আনা হচ্ছিল। দেশজুড়ে সেই মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। গোপন সূত্রে আগেই খবর পেয়েছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। সেই সূত্র ধরেই ভারতীয় উপকূল বাহিনী ও গুজরাট অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয় এবং মঙ্গলবার রাতে যৌথ অভিযান চালানো হয়।
গুজরাট এটিএস সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ৬ পাকিস্তানি নাগরিক ভারতে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করার চেষ্টা করছিল। তারা একটি ভারতীয় নৌকা করেই পাকিস্তান থেকে গুজরাটের পথ ধরে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল, এই বিপুল পরিমাণ মাদক দিল্লি ও পঞ্জাবে পাচার করা হবে। নিষিদ্ধ এই মাদকের বাজারমূল্য আনুমানিক ৪০০ কোটি টাকা।

মাদক সহ ধৃত পাকিস্তানি ৬ নাগরিক।
এই সফল অভিযানের খবর পেতেই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেল এটিএস-কে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং প্রত্যেক আধিকারিককে ১০ লক্ষ টাকা করে নগদ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
প্রসঙ্গত, বিগত ৩০ দিনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার গুজরাটের উপকূল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হল।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারিও গুজরাটের উপকূল থেকে ৩৩০০ কেজির মাদক উদ্ধার করা হয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল কয়েকজন পাকিস্তানি নাগরিককে। আন্তর্জাতিক বাজারে ওই ৩৩০০ কেজি মাদকের মূল্য ছিল ২০০০ কোটি টাকা।
