Justice Surya Kant Remark on Kaliachak Case: ‘কোনও দিন আনি না, এই কেসের জন্য প্রথম কোর্টে ফোন আনলাম’, কল্যাণ-নাইডুদের সামনে বললেন প্রধান বিচারপতি

Justice Surya Kant on Kaliachak Judges' Harassment: সেই দিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেছিলেন, "আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। গতকাল হোয়াটসঅ্যাপে আমাদের জানানো হয়েছে কয়েকজন সমাজ বিরোধী সাতজন জুডিশিয়াল অফিসার, যাঁর মধ্যে তিনজন মহিলা ছিলেন তাঁদের ঘেরাও করা হয়েছে।"

Justice Surya Kant Remark on Kaliachak Case: কোনও দিন আনি না, এই কেসের জন্য প্রথম কোর্টে ফোন আনলাম, কল্যাণ-নাইডুদের সামনে বললেন প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Apr 06, 2026 | 10:43 PM

নয়া দিল্লি: এসআইআর (SIR) এর কাজে গিয়ে হেনস্থার শিকার সাত বিচারক। সেই ঘটনায় দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের। ইতিমধ্যেই দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদলত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA নিজেদের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে আজ শুনানির সময় তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের। বললেন, “এই মামলার জন্য আমাকে কোর্ট রুমের ভেতরে মোবাইল আনতে হয়েছে।”

হঠাৎ কেন এমন মন্তব্য প্রধান বিচারপতির?

দুপুর থেকে কালিয়াচকে বিচারকদের হেনস্থা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এরপর তাঁরা গোটা বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে জানায়। সঙ্গে-সঙ্গে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল নির্বাচন কমিশনকে অবগত করেন যাতে বিচারকদের উদ্ধার করা হয়। তবে, দেখা গেল রাত বারোটা বেজে যাওয়ার পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে জুডিশিয়াল অফিসারদের। এর আগের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে এই ঘটনার খবর আসছিল রাত্রি দুটো পর্যন্ত। বিকেল পাঁচটার সময় তাঁদের ঘেরাও করা হয়েছে। রাত এগারোটা পর্যন্ত সেখানে কেউ ছিল না।

সেই দিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেছিলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। গতকাল হোয়াটসঅ্যাপে আমাদের জানানো হয়েছে কয়েকজন সমাজ বিরোধী সাতজন জুডিশিয়াল অফিসার, যাঁর মধ্যে তিনজন মহিলা ছিলেন তাঁদের ঘেরাও করা হয়েছে। দুপুর সাড়ে তিনটে থেকে ঘেরাও শুরু হয়েছে। রেজিস্টার জেনারেল প্রশাসনিক কর্তাদের জানিয়েছিলেন এবং তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ করার আবেদন করেছেন। রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কিছুই করা হয়নি। এই সময় হোম সেক্রেটারির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং প্রধান বিচারপতি ডিজিপির সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সে কথা বলেন। আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, পদক্ষেপ করা হবে কিন্তু দীর্ঘক্ষণ কিছুই করা হয়নি।”

পুরো ঘটনার তত্ত্বাবধান করছেন খোদ প্রধান বিচারপতি। ফলে, প্রতি মুহূর্তে তাঁর কাছে হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ ঢুকছে। সেই কারণে এ দিন শুনানির সময় তিনি বলেন, “এই কেসের জন্য প্রথম আমায় আদালতে মোবাইল ব্যবহার করতে হল, আমি কখনও আদালতে ফোন আনি না।”

Follow Us