Parliament Budget Session: স্পিকারে বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটে হার বিরোধীদের! বিড়লাকে নিয়ে মুখোমুখি রাহুল বনাম শাহ
ধোপেও টিকল না অনাস্থা প্রস্তাব। হার বিরোধী শিবিরের। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে হওয়া ভোটাভুটিতে হেরে গেল ইন্ডিয়া জোট। ধ্বনি ভোটেই জয় হাসিল এনডিএ জোটের। তারপর উত্তাপ চড়ল সংসদে। তৈরি হল তুমুল হট্টগোল।

কলকাতা: ধোপেও টিকল না অনাস্থা প্রস্তাব। হার বিরোধী শিবিরের। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে হওয়া ভোটাভুটিতে হেরে গেল ইন্ডিয়া জোট। ধ্বনি ভোটেই জয় হাসিল এনডিএ জোটের। তারপর উত্তাপ চড়ল সংসদে। তৈরি হল তুমুল হট্টগোল। অনাস্থা-বিতর্কে দ্বৈরথ নামালেন শাহ-রাহুলও।
বাজেট অধিবেশনের সূচনাপর্বেই লোকসভা স্পিকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন বিরোধী সাংসদরা। সংসদে বক্তব্য পেশের ক্ষেত্রে অধ্যক্ষ পক্ষপাতিত্ব করেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন খোদ বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এরপরেই অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। সংশ্লিষ্ট নোটিসে বিরোধী শিবিরের মোট ১২০ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেছিলেন।
এই নোটিসের ভিত্তিতে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা ছিল ইন্ডিয়া জোটের। সোমবার অধিবেশন শুরু হলেও পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে গোটা দিন বিক্ষোভ প্রদর্শনেই ব্যস্ত থাকে বিরোধী শিবির। অবশেষে মঙ্গলে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেন বিরোধীরা। তারপরই চরমে ওঠে শাসক-বিরোধী তরজা। বুধের অধিবেশনেও দিনভর এই নিয়েই চলে বিতর্ক। অবশেষে ভোটাভুটি পর্ব। সেখানেই ধ্বনি ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দখল করল এনডিএ জোট।
এদিন স্পিকারের পক্ষে সওয়াল করেছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে ‘নিরপেক্ষ’ ভাবমূর্তি তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে অভিহিত করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “এই সংসদ পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে তৈরি। যেখানে স্পিকার একজন নিরপেক্ষ অভিভাবক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সংসদীয় রাজনীতি এটা সত্যিই দুর্ভাগ্যের যে সেই স্পিকারের অপসারণে কেউ প্রস্তাব পেশ করছেন।”
বুধবার অনাস্থা বিতর্ক পর্বে বিরোধী সাংসদেরও নিশানা করেন অমিত শাহ। এই অনাস্থা প্রস্তাবকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’ বলে তুলনা করেন তিনি। অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বিড়লার ‘পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের’ উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “যখনই আমরা দাঁড়িয়ে কথা বলতে যাই, আমাদের থামিয়ে দেওয়া হয়।” যদিও এই দাবিকে খারিজ করে শাহ বলেন, “রাহুল অভিযোগ করেন, তাঁকে নাকি বলতে দেওয়া হয় না। কিন্তু সত্যিটা হল তিনি বলতেই চান না।” এরপরেই রাহুলের সংসদীয় উপস্থিতির পরিসংখ্যান পেশ করেন শাহ। তাতে দেখা যায়, সপ্তদশ লোকসভায় রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি ছিল ৫১ শতাংশ। সেখানে অন্যান্য সাংসদদের গড়ে উপস্থিতির হার ৬৬ শতাংশ।
