Opposition Walk Out: কাকলি-সুদীপদের আমন্ত্রণ কেন? সর্বদলীয় বৈঠক থেকে বেরিয়ে গেলেন বিরোধীরা

All Party Meeting: আজ সকাল ১১টা থেকে সর্বদলীয় বৈঠক শুরু হয়। এই বৈঠকে এনসিপিআই সাংসদ, যারা তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিদ্রোহ করে বেরিয়ে এসেছেন, তাদের আমন্ত্রণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধী নেতারা। ১১টা ৫ মিনিটে তারা প্রতীকী ওয়াক আউট করেন। পরে তারা আবার ফিরে আসেন এবং বৈঠকে যোগ দেন।

Opposition Walk Out: কাকলি-সুদীপদের আমন্ত্রণ কেন? সর্বদলীয় বৈঠক থেকে বেরিয়ে গেলেন বিরোধীরা
সর্বদলীয় বৈঠক থেকে ওয়াক আউট বিরোধীদের।Image Credit source: ANI

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Jul 19, 2026 | 12:37 PM

নয়া দিল্লি: সংসদের বাদল অধিবেশনের আগের দিন সর্বদলীয় বৈঠকে ডাক পেয়েছেন তৃণমূল থেকে বেরিয়ে আসা বিদ্রোহী সাংসদরাও (Rebel MPs)। কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের ডাক দেওয়ায় এবার সর্বদলীয় বৈঠক (All Party Meeting) ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিরোধী সাংসদরা। তারা সকলে মিলে প্রতীকী ওয়াক আউট (Walk Out) করেন।

আজ সকাল ১১টা থেকে সর্বদলীয় বৈঠক শুরু হয়। এই বৈঠকে এনসিপিআই সাংসদ, যারা তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিদ্রোহ করে বেরিয়ে এসেছেন, তাদের আমন্ত্রণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধী নেতারা। ১১টা ৫ মিনিটে তারা প্রতীকী ওয়াক আউট করেন। পরে তারা আবার ফিরে আসেন এবং বৈঠকে যোগ দেন।

মমতা পন্থী তৃণমূল সহ সকল বিরোধী দলই এই প্রতীকী ওয়াক আউটে অংশ নেন। মমতা পন্থী তৃণমূলের তরফে সর্বদলীয় বৈঠকে হাজির রয়েছেন সাংসদ সৌগত রায় ও মহুয়া মৈত্র। এনসিপিআই-কে সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে বর্ষীয়ান সাংসদ বলেন, “আমাদের প্রশ্ন হল, একটা অস্বীকৃত দল, যার নাম সংসদের ওয়েবসাইটেও নেই, তাদের সর্বদলীয় বৈঠকে ডাকা হয়েছে।

সংসদের ওয়েবসাইটে এখনও বিদ্রোহী ২০ জন এনসিপিআই সাংসদ-দের তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসাবেই দেখাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভায় সাংসদের সংখ্যা ২৮ দেখাচ্ছে।

ওয়াক আউটের পর ফিরে এসে মহুয়া মৈত্র বলেন, “আজ কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, জেএমএম, সিপিআইএম, আম আদমি পার্টি, ন্যাশনাল কনফারেন্স, শিবসেনা (ইউবিটি) সহ সমস্ত বিরোধী দলের সাংসদরা সর্বদলীয় বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেছেন কারণ এনসিপিআই নামক একটি অস্বীকৃত দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। টেবিল অফিসের দেওয়া তথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা ২৮ দেখাচ্ছে। এই ২০ জন সাংসদের এনসিপিআই-তে মিশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এখনও স্পিকার অনুমোদন দেয়নি। ২০ জনের সাংসদ পদ খারিজের আবেদন এখনও শোনা হয়নি। এদের আলাদা ব্লক স্বীকৃতি দেওয়া হল কীসের ভিত্তিতে? আমরা প্রতিবাদ হিসাবে প্রতীকী ওয়াকআউট করেছিলাম।”

অন্যদিকে, বিদ্রোহী সাংসদ নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাই এসেছি। নতুন দলকে প্রতিনিধিত্ব করছি আমরা। আমাদের মতে, সংসদ বিরোধীদের। এটা স্বীকৃতি দিতে হবে। সরকারকেও এটা স্বীকৃতি দিতে হবে এবং সংসদ যাতে সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়। আমাদের দলের নীতি হল ধর্ম নিরপেক্ষতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য। আমাদের এনসিপিআই এই নীতিতেই বিশ্বাসী। আমাদের ২০ জন সাংসদের মধ্যে তিনজন মুসলিম।”

প্রসঙ্গত, সংসদের বাদল অধিবেশন থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের আলাদা বসবে এনসিপিআই। গতকালই এই সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।

 

Follow Us