
নয়া দিল্লি: ‘মন কি বাত’-কে তীর্থ বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ, রবিবার মন কি বাতের অনুষ্ঠানে ফের একবার ‘ভোকাল ফর লোকাল’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার ডাক দিলেন তিনি।
আজ, মন কি বাতের ১৩৯ তম এপিসোড ছিল। প্রতি মাসের শেষ রবিবার দেশবাসীর উদ্দেশে মনের কথা ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মন কি বাতের অনুষ্ঠান নিয়েই নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেন তিনি। বলেন যে এই অনুষ্ঠান তাঁকে দেশের উন্নয়নের জন্য সাধারণ মানুষের কাজ বুঝতে এবং তা উদযাপন করতে সাহায্য করেছে। ১২ বছর আগে এমনই এক বিজয়া দশমীতে মন কি বাতের যাত্রা শুরুর কথাও স্মৃতিচারণ করেন তিনি।
এ দিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “‘মন কি বাত’-এর মাধ্যমে আমি দেশের মানুষের সম্মিলিত শক্তি-‘লোকশক্তি’র প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। এই অনুষ্ঠান আমাকে দেশের প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ করে দেয়। অনেক শ্রোতা আমাকে জানিয়েছেন, তাঁদের মনে হয় যেন আমি তাঁদের মাঝেই রয়েছি, তাঁদের পরিবারেরই একজন সদস্যের মতো তাঁদের সঙ্গে কথা বলছি। আপনাদের সঙ্গে এই গভীর সংযোগ এবং আপনাদের ভালোবাসা আমার কাছে এক অমূল্য সম্পদ।”
তিনি আরও বলেন যে এই অনুষ্ঠান তাঁকে সুযোগ দিয়েছে সেই সকল মানুষদের স্বীকৃতি দেওয়ার, যারা সমাজের জন্য সেবা করছেন।
পঞ্জাবের ক্ষেতি বিরাসত মিশনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী অর্গানিক ফার্মিং ও প্রচলিত কৃষিকাজের প্রশংসা করেন। পঞ্জাবের মালওয়া অঞ্চলে প্রাচীন তুলো চাষের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন। দেশবাসীর কাছে আর্জি জানান মিলেট-কে নিজেদের দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের অংশ করে তুলতে।
এ দিন ‘মন কি বাতে’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অঙ্গদানের আর্জি জানান। বলেন যে এই মহৎ কাজে যেমন প্রাণ বাঁচবে, তেমনই আধুনিক মেডিক্যাল রিসার্চেও সাহায্য করবে। আইআইটি মাদ্রাজের প্রংশসা করেন পরম শক্তি সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্রেন ইমেজিং টেকনোলজি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার জন্য। তিনি বলেন যে এই প্ল্যাটফর্ম হাই রেজিলিউশন ডিজিচাল ৩ডি ইমেজ তৈরি এবং ১০০ মানব মস্তিষ্ক-কে বিস্তারিতভাবে পড়তে পারে।
আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। জানান, এই আরোগ্য মন্দির কীভাবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে।
৩১ অক্টোবর সর্দার বল্লভভাই পটেলের জন্মবার্ষিকীতে ‘একতা দিবস’ উদযাপন করতে আহ্বান জানিয়েছেন। শেষে সকলকে আসন্ন দিপাবলীর শুভেচ্ছা জানান বলেন যে এই উৎসব যেন সকল পরিবারে আনন্দ, সুস্বাস্থ্য নিয়ে আসে।