Supreme Court on SIR: বিচারাধীন ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন? ‘কোনও প্রশ্নই ওঠে না’ বলল সুপ্রিম কোর্ট

SIR Hearing: কমিশনের আইনজীবী নাইডু বলেন, "এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। ট্রাইব্যুনালে শুনানির মধ্য দিয়ে কাদের নাম থাকবে, কাদের নাম বাদ যাবে, তা ঠিক হবে। কিন্তু ভোটার তালিকা ফ্রিজ হয়ে গিয়েছে।" প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, 'আমরা ট্রাইব্যুনালের উপর চাপ দিতে পারি না। আজ এই বিষয়ে রিট পিটিশনে শুনানি আমরা করেছি।'

Supreme Court on SIR: বিচারাধীন ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন? কোনও প্রশ্নই ওঠে না বলল সুপ্রিম কোর্ট
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এসআইআর মামলাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Apr 13, 2026 | 5:58 PM

নয়া দিল্লি: পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। বিচারাধীন তালিকায় থাকা ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারে, আজ সেই সওয়াল করা হয় রাজ্যের তরফে। ইতিমধ্যেই ফ্রিজ হয়ে যাওয়া ভোটার তালিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে বিবেচনাধীন ভোটাররা যে কোনওভাবেই ভোট দিতে পারবেন না, তা আপাতত স্পষ্ট হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে। আগামী সপ্তাহে রয়েছে পরবর্তী শুনানি।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি।

কারা ২৩ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন?

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানিয়েছেন যে ৬০ লক্ষ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। প্রায় ১৮২৩টি মামলা কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এখনও মুলতুবি রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল রবিবার থেকেই কার্যক্রম শুরু করেছে। রবিবার একটি ইন্ট্রোডাক্টরি সেসন ছিল, তার সঙ্গে একটি মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল।

বিচারপতি বাগচী জানান, ৩৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। ৬ এপ্রিল বা ৭ এবং ৮ এপ্রিল কয়েক দফায় যাঁদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাঁরা ২৩ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন।

‘প্রশ্ন ওঠেই না’

আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন, রঘুনাথগঞ্জে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে সব ভোটার বিচারাধীন। সেখানকার সব মামলা পেন্ডিং আছে। অথচ এমন একটা ‘ইমপ্রেশন’ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে, যেন বিচারাধীন সমস্ত কেসের নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে। ১৬ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। তাঁদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক।

এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই প্রশ্ন ওঠেই না।” 

রাজ্যের তরফে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় আর্জি জানান, আগামী ২৩ এপ্রিল ভোটের আগে যত সম্ভব কেসের শুনানি শেষ করা হোক। তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “আমরা ট্রাইব্যুনালের উপর চাপ দিতে পারি না।”

এরপর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আপনাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা ভোটাধিকার চায়।” এ কথা শুনে আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় বলেন, “বাংলায় কীভাবে জনবিন্যাস পরিবর্তন হয়েছে সকলে জানে।” উত্তরে কল্যাণ বলেন, ‘বাংলাকে টার্গেট করবেন না। বাংলা জানে কীভাবে লড়াই করতে হয়।’

মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান আইনের ধারা তুলে উল্লেখ করেন, “যাঁদের ভোটাধিকার চলে গিয়েছে, তাঁদের সুযোগ দেওয়া হোক। যারা বিচারাধীন তালিকায় আছে, তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিন।” পাল্টা আইনের ধারা তুলে বিরোধিতা করেন কমিশনের আইনজীবী নাইডু। বিচারপতি বাগচী বলেন, “আমাদের একটু ভাবার সময় দিন। দু’পক্ষের কথাই আমাদের মাথায় রাখতে হবে।” আগামী সপ্তাহে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

Follow Us