AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Suvendu Adhikari: ‘যাদবপুরের টুকরে টুকরে গ্যাংকে উপড়ে ফেলতে হবে’, JNU-তে দাঁড়িয়ে প্রতিজ্ঞা শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari: খোঁচা দেন বামেদের। তৃণমূলের সঙ্গে একযোগে কাঠগড়ায় তুলে শুভেন্দুর দাবি, “সিপিএম-তৃণমূলের সেটিং রয়েছে। ডিওয়াইএফআই-এসএফআই মমতাকে চোর বলতে বলে, আর ওদের কাকা-জ্যাঠা সীতারাম-ইয়েচুরি বেঙ্গালুরুতে, পাটনা, দিল্লিতে মমতা-অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক করে, খাওয়া-দাওয়া করে। সেটিং করে।”

Suvendu Adhikari: ‘যাদবপুরের টুকরে টুকরে গ্যাংকে উপড়ে ফেলতে হবে’, JNU-তে দাঁড়িয়ে প্রতিজ্ঞা শুভেন্দুর
ফের গর্জে উঠলেন শুভেন্দুImage Credit: ANI
| Updated on: Feb 25, 2024 | 1:51 PM
Share

নয়া দিল্লি: যাদবপুরের র‌্যাগিংকাণ্ড নিয়ে এবার জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দাঁড়িয়ে গর্জে উঠলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফের আওড়ালেন সিপিএম-তৃণমূল সেটিং তত্ত্ব। শেষে তাঁর মুখেই শোনা গেল অভয়বাণী। বললেন, এই টুকরে টুকরে গ্যাংয়ে উপরে ফেলতে হবে। আমাদের উপর ভরসা রাখুন।  

প্রসঙ্গত, কয়েক মাসে যাদবপুরে প্রথমবর্ষের এক পড়ুয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলার রাজ্য-রাজনীতি। ওঠে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ। জেলে ঠাঁই হয়েছে ক্যাম্পাসের কিছু বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রের। ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল পদ্ম শিবিরও। ফুঁসে উঠেছিলেন শুভেন্দুও। এরইমধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে নন্দীগ্রামের বিধায়ককে দেখা গেল জেএনইউতে। 

ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে শিপ্রা হস্টেলে একটি সেমিনারে যোগ দেন তাঁরা। সেখান থেকেই বাংলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোট পরবর্তী হিংসা সহ একাধিক ইস্যুতে গর্জে ওঠেন বিরোধী দলনেতা। শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে শুরু চড়িয়ে বলেন, “১৫ রাজ্যে ভোট হয়েছে। কিন্তু, একটা রাজ্যেও ভোট পরবর্তী হিংসার কথা বলতে পারেন? শুধু বাংলায় হয়েছে। ভোট গণনাকেন্দ্র লুঠ করা হয়েছে। ৫৭ বিজেপি কর্মীকে রেজাল্ট বের হওয়ার পর নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। ১ লক্ষ হিন্দু, বিশেষ করে তফসিলি জাতি উপজাতির লোকেদের ঘর ছাড়তে হয়েছে। অসমে সর্বানন্দ সোনওয়াল তখন মুখ্যমন্ত্রী। উনি আশ্রয় শিবির দিয়েছিলেন। বিহার, ওড়িশায় পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছিল।” পঞ্চয়েত ভোটে হিংসা নিয়ে ফুঁসে উঠতে দেখা যায় শুভেন্দুকে।

খোঁচা দেন বামেদের। তৃণমূলের সঙ্গে একযোগে কাঠগড়ায় তুলে শুভেন্দুর দাবি, “সিপিএম-তৃণমূলের সেটিং রয়েছে। ডিওয়াইএফআই-এসএফআই মমতাকে চোর বলতে বলে, আর ওদের কাকা-জ্যাঠা সীতারাম-ইয়েচুরি বেঙ্গালুরুতে, পাটনা, দিল্লিতে মমতা-অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক করে, খাওয়া-দাওয়া করে। সেটিং করে।” সাম্প্রতিককালে বাংলায় বিরোধী দলগুলির রাজনীতির ইতিহাস মনে করিয়ে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাংলায় সিপিএম বিরোধী দলে থাকলেও কোনও লড়াই হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের তরফে বিরোধী দলনেতা ছিল বাংলায়। কোনও লড়াই হয়নি। এখন বিজেপি বিরোধী শিবিরে আছে বাংলায়। বিজেপি বাংলায় লড়াই করছে।” 

লাগাতার তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও। তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “ও দিদি নয়। দিদির নামের সঙ্গে এক মমতা জড়িয়ে, ওটা একটা মানবিক ব্যাপার। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুধু নিষ্ঠরতা। আমি নন্দীগ্রামে ওনাকে হারিয়েছিলাম। তারপরে আমার বিরুদ্ধে তিনি ৪২টা কেস করেছেন। এতটাই নিষ্ঠুর মহিলা।” বাংলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির তুলনা টানেন সিরিয়ার সঙ্গেও। আক্রমণের সুর আরও চড়িয়ে বলেন, “সিরিয়াতে যা হচ্ছে বাংলাতেও তা হচ্ছে। যা হামাস করছে তাই বাংলায় হচ্ছে।” শুভেন্দুর দাবি, টুকরে টুকরে গ্যাং, দেশ বিরোধী গ্যাংকে সুরক্ষা দিচ্ছে মমতার সরকার। স্পষ্ট বলেন, “যাদবপুরে নকশাল আর এসএফআইয়ের জোট আছে। কিছুদিন আগে ওরা র‌্যাগিং করে একটা গরিব ছেলেকে মেরে ফেলেছে। ওই ঘটনার পর আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের উপর হামলা করে দেয়। বলে আমরা মাওবাদী। এরা সব মমতার সুরক্ষায় আছে। যখন ভোট আসে এরা একটাই কথা বলে নো ভোট টু বিজেপি, নো ভোট টু নরেন্দ্র মোদী। এরা বন্দেমাতরম বলে না, জাতীয় সঙ্গীত গায় না, ১৫ অগস্ট, ২৬ জানুয়ারির অনুষ্ঠান আটাকাচ্ছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।” এরপরই খানিক অভয়বাণী শোনা যায় তাঁর গলায়। বলেন, “এই টুকরে টুকরে গ্যাংকে উপরে ফেলতে হবে। আমাদের উপর ভরসা রাখুন।”   

Follow Us