
নয়া দিল্লি: আরও বিপাকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। রাজ্য়ে পালাবদলের পর যখন তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের হয়, তখন রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রক্ষাকবচ দেওয়াও হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অভিষেকের রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হল রাজ্য।
গত অগস্ট মাসে তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। শীর্ষ আদালতে সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো চলতি মাসের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অভিষেকের রক্ষাকবচ রয়েছে। এখন সেই নির্দেশেই বদল চায় রাজ্য। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। দীপাবলির পরে আদালত খুললে ওই মামলার শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।
গত ২৫ অগস্ট হাইকোর্ট নির্দেশ দেওয়ার সময় তার উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিল রাজ্য। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তাদের ওই আবেদন খারিজ করে দেয়। রাজ্যের বক্তব্য ছিল, অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি গুরুতর। ফৌজদারি মামলায় তার আলাদা আইনি প্রতিকার রয়েছে। কিন্তু তিনি সেই পথে যাননি।
রাজ্য়ের বক্তব্য় ছিল, অভিষেক আগাম জামিনের আবেদন করতে পারেন। তা না করে কেন তিনি রক্ষাকবচ চাইছেন? রাজ্যের যুক্তি, একাধিক এফআইআরকে একসঙ্গে চ্যালেঞ্জ করে শুনানি করা যায় না। প্রতিটি এফআইআরের জন্য পৃথক আইনি পদক্ষেপ করা উচিত। কোনও অভিযুক্তকেই একাধিক মামলায় ‘ব্ল্যাঙ্কেট প্রোটেকশন’ দেওয়া উচিত নয়।
বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের হচ্ছে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই ওই মামলাগুলি করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে মোট ১৬টি এফআইআরের কথা আদালতে জানান তৃণমূল সাংসদ। তার মধ্যে ভবানীপুর, কালীতলা এবং বিষ্ণুপুর থানার মামলায় তাঁকে রক্ষাকবচ দেয় হাইকোর্ট।