AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC MP meets BJP: বৈঠক তো হল, এবার কী কী অপশন থাকছে সুখেন্দু-রচনা-প্রসূনদের হাতে

TMC MP Meeting: অভিষেককে না মানতে চাইলে, স্পিকারের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘাত হতে পারে। কারণ, দলনেতা বাছার ক্ষেত্রে দলনেত্রী (এ ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)-এর অনুমোদন লাগবে। ফলে, মমতা অনুমোদন না দিলে, আইনি পথ বাছতে হতে পারে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের।

TMC MP meets BJP: বৈঠক তো হল, এবার কী কী অপশন থাকছে সুখেন্দু-রচনা-প্রসূনদের হাতে
বিদ্রোহী সাংসদরাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 08, 2026 | 3:00 PM
Share

নয়া দিল্লি: কেউ ছিলেন নিজের ফ্ল্যাটে, কেউ ছিলেন ‘গোপন ডেরা’য়। শনি ও রবিবারের মধ্যে দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূলের একাধিক সাংসদ (TMC MP)। আর সোমবার, যেদিন দিল্লিতে বসে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেদিনই একে একে বাইরে বেরিয়ে এলেন সেই সাংসদরা। মমতা যেখানে বসে আছেন, তার থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে হল সেই সাংসদদের ‘হাইপ্রোফাইল’ বৈঠক। ঠিক কে কে ছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট না হলেও সূত্রের খবর, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সুখেন্দু শেখর রায়, শর্মিলা সরকার, অসিত মালের মতো সাংসদরা।

সূত্রের খবর, বিদ্রোহী সাংসদদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন ভূপেন্দ্র যাদব, নিশিকান্ত দুবের মতো বিজেপি সাংসদরা। বৈঠক বসেছিল ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে। বৈঠক তো হল, এবার ওই সাংসদরা কী করবেন, কী কী অপশন থাকছে?

অভিষেকের বিরুদ্ধে অনাস্থা

তৃণমূলের সাংসদদের একাংশ লোকসভার অন্দরে আলাদা ব্লক তৈরি করে অপারেট করতে পারে। সে ক্ষেত্রে লোকসভার দলনেতা হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে না মানতে চাইলে ওই ব্লক অনাস্থা আনতে পারে। অন্য কাউকে দলনেতা করতে চেয়ে, স্পিকারকে চিঠি দিতে পারেন।

দলনেতা বাছবে কে?

অভিষেককে না মানতে চাইলে, স্পিকারের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘাত হতে পারে। কারণ, দলনেতা বাছার ক্ষেত্রে দলনেত্রী (এ ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)-এর অনুমোদন লাগবে। ফলে, মমতা অনুমোদন না দিলে, আইনি পথ বাছতে হতে পারে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের।

বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন এই সাংসদরা?

নিয়ম বলছে, দলবিরোধী আইনের বাধা ছাড়া দলবদল করতে গেলে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন দরকার হয়। এ ক্ষেত্রে তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদের মধ্যে অন্তত ১৯ জনের সমর্থন লাগবে। সেই সমর্থন পেলে সাংসদরা সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে পারবেন। আজ, খোদ শুভেন্দুর উপস্থিতিতে বৈঠক হওয়ায় সেই সম্ভাবনা জোরাল হচ্ছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি আম আদমি পার্টির ক্ষেত্রে এমন ছবি দেখা গিয়েছে। রাঘব চাড্ডা সহ একাধিক সাংসদ যোগ দেন বিজেপিতে। পরিষদীয় দল ও সংসদীয় দল যদি আলাদাভাবে কাজ করে, তাহলে বৃহত্তর অংশ দলীয় লোগো-র দাবিদার হয়ে যেতে পারে।

বিজেপি কি নেবে এই সাংসদদের?

শুরু থেকেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলে এসেছেন, বিজেপি কাউকে নেবে না। দরজা বন্ধ। পরবর্তীতে তিনি ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলের তত্ত্বও দিয়েছিলেন। সে ক্ষেত্রে যে সাংসদদের বিরুদ্ধে এক বা একাধিক মামলা আছে, তাঁদেরও কি জায়গা দেবে তৃণমূল? জায়গা দিলে বাংলার রাজনীতিতে তৈরি হতে পারে আরও বিতর্ক। তাই সব মিলিয়ে সংসদীয় রাজনীতি কোন পথে এগোচ্ছে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

Follow Us