
নয়া দিল্লি: ২০১৯ সালেই সংসদে পাশ হয়েছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে তা কার্যকর করা যায়নি। অবশেষে ২০২৪ সালে কার্যকর হল এই আইন। প্রায় সমস্ত রাজ্যই সিএএ-র সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও, বিরোধিতা করেছে কয়েকটি বিরোধী শাসিত রাজ্য। কেরল ও তামিলনাড়ু জানিয়েছে, তারা রাজ্যে সিএএ কার্যকর হতে দেবে না। আগেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই আইনের বিরোধিতা করেছিলেন। তবে রাজ্যের কি সত্যিই ক্ষমতা রয়েছে কেন্দ্রের আইন প্রণয়নে বাধা দেওয়ার? এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
এ দিন সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিএএ নিয়ে রাজ্যগুলির বিরোধিতার প্রসঙ্গে বলেন, “ওনারাও (বিরোধীরা) জানেন যে এর কোনও অধিকার নেই। সংবিধানের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে নাগরিকত্ব নিয়ে আইন তৈরির অধিকার শুধুমাত্র ভারত সরকারকে দিয়েছে। এটা কেন্দ্র-রাজ্যের বিষয় নয়। শুধুমাত্র কেন্দ্রের বিষয়। তাই নাগরিকত্ব নিয়ে আইন ও তা কার্যকর করার বিষয়টি সংবিধানের ২৪৬(১) অনুচ্ছেদে এটা শিডিউল ৭-এ রাখা হয়েছে। এর যাবতীয় অধিকার কেবল কেন্দ্রের।”
সিএএ-তে পড়শি দেশ থেকে আগত সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্বের আবেদনের ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়া কী হবে এবং তাতে রাজ্যের সহযোগিতার প্রয়োজন কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ওনারা (নাগরিকত্বের আবেদনকারীরা) তো নিজেরাই নথি দেখাবেন যে তারা কোন দেশ থেকে এসেছেন। রাজ্যে যদি ভেরিফিকেশন হয়,তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারই করবে। আমি মনে করি, নির্বাচন হয়ে গেলে সবাই সহযোগিতা করবে। এটা নির্বাচনের জন্য রাজনীতি করছে। “