Abhishek Banerjee-CID: কথায় কথায় মেজাজ হারান, মধ্যরাতে মমতার বাড়ি থেকে ছাতায় মুখ ঢেকে বেরিয়ে যান অভিষেক
Abhishek Banerjee Case: রেজোলিউশনের কপিতে অনুপস্থিত বিধায়কদের সই কে করল, তা নিয়েই মূলত অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। সেই মামলাতেই এই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আর সেখানে রেজোলিউশনের কপি কোথায়, সেটা জানতে চাওয়া হলে 'জানি না' বলে উত্তর আসে অভিষেকের তরফে।

সুজয় পাল ও কৌস্তভ গঙ্গোপাধ্যায়
কলকাতা: একাধিকবার নোটিস পেয়েও হাজিরা দেননি। হাইকোর্টের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সিআইডি (CID) দফতরে হাজিরা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Abhishek Banerjee)। সূত্রের খবর, সই জাল-কাণ্ডে বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের রেজোলিউশন নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। একবার চায়ের বিরতি নিয়ে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। সিআইডি সূত্রে খবর, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন অভিষেক।
রেজোলিউশনের কপিতে অনুপস্থিত বিধায়কদের সই কে করল, তা নিয়েই মূলত অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। সেই মামলাতেই এই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আর সেখানে রেজোলিউশনের কপি কোথায়, সেটা জানতে চাওয়া হলে ‘জানি না’ বলে উত্তর আসে অভিষেকের তরফে। সূত্রের খবর, তদন্তকারী অফিসাররা তাঁকে বলেন, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজের দায় কোনওভাবেই এড়াতে পারেন না তিনি। এ কথা শুনে নাকি মেজাজ হারান অভিষেক। স্পিকারের মতো সাংবিধানিক পদাধিকারীকে কোনও চিঠি দেওয়ার আগে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন ছিল, এ কথা শুনেও মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি।
তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট নন আধিকারিকরা। বারবার জানি না বা বলব না-র মতো উত্তর পছন্দ হয়নি আধিকারিকদের। সেই কারণেই অভিষেককে আগামী ১৪ জুন ফের তলব করা হয়েছে।
এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদের পর রাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হন অভিষেক। রাত সাড়ে ১১টা পর সেখানে চলে বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ। রাত ১২টা ৭ মিনিটে একে একে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। তবে সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেননি অভিষেক। তাঁর সহযোগী, সমর্থকেরা ছাতা দিয়ে ঢেকে রাখেন, ছাতায় মুখ ঢেকেই গাড়িতে উঠে পড়েন অভিষেক। অন্যদিকে, কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এটা তদন্ত সাপেক্ষ বিষয়। এ ব্যাপারে আমরা কিছু বলব না।
