Acropolis Mall statement: মাল্টিপ্লেক্সে তরুণীর ‘শ্লীলতাহানির’ কড়া নিন্দা অ্যাক্রোপলিসের, তদন্তে পুলিশকে সবরকম সহযোগিতার বার্তা
Couple Harassment at Multiplex: অ্যাক্রোপলিস প্রাঙ্গণে এই ধরনের ঘটনা যে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, সেই বার্তা দিয়ে বিবৃতিতে শিবসাগর শ বলেন, "আমাদের প্রাঙ্গণে কোনও ধরনের হিংসা বা বিশৃঙ্খল আচরণের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের দর্শক ও গ্রাহকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই ঘটনায় পুলিশের তদন্তে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

কলকাতা: স্বামীর সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতার একটি মলের মধ্যে মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানেই স্বামীর সামনে তরুণীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। প্রতিবাদ করলে মারধর ও গালিগালাজ করা হয় বলেও অভিযোগ। কলকাতার একটি মাল্টিপ্লেক্সে এমন অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়েছে। অভিযোগ পেয়েই পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে। এবার ঘটনার নিন্দা করে বিবৃতি দিল দক্ষিণ কলকাতার অ্যাক্রোপলিস মল।
অ্যাক্রোপলিস মলের জেনারেল ম্যানেজার (ফেসিলিটি) শিবসাগর শ এক বিবৃতিতে বলেন, “গতকাল মাল্টিপ্লেক্সের ভিতরে এক চিকিৎসক দম্পতি এবং ছয়জনের একটি দলের মধ্যে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করে কসবা থানায় খবর দেয়। পুলিশও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।”
পুলিশি পদক্ষেপের প্রশংসা করে বিবৃতিতে তিনি বলেন, “চিকিৎসক দম্পতির দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ শুরু করে। এরপর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওই ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”
ঘটনাটি অ্যাক্রোপলিস মলের মধ্যে মাল্টিপ্লেক্সে ঘটেছে। তবে অ্যাক্রোপলিস প্রাঙ্গণে এই ধরনের ঘটনা যে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, সেই বার্তা দিয়ে বিবৃতিতে শিবসাগর শ বলেন, “আমাদের প্রাঙ্গণে কোনও ধরনের হিংসা বা বিশৃঙ্খল আচরণের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের দর্শক ও গ্রাহকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এই ঘটনায় পুলিশের তদন্তে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
গতকাল নিগৃহীতার স্বামী ওই মাল্টিপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। অভিযুক্তরা হলের মধ্যে স্মোক করছিল। গুটখা থেকে পিক ফেলছিল। সেই অভিযোগ করে তিনি বলেছিলেন, “হলের মধ্যে স্মোক করছে। যদি সিসিটিভি না থাকে, তাহলে হল কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল, সেখানে একজন বাউন্সার রাখা। যতক্ষণ আমাদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে, একজনও সিকিউরিটি গার্ড আসেনি। হলে যাঁরা পপ কর্ন, কোল্ড ড্রিঙ্কস বিক্রি করেন, তাঁরা এসে ওদের আটকাতে গিয়েছেন।”
