Annapurna Bhandar Form: অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম কেন ১২ পাতার, এত তথ্যই বা সরকার চাইল কেন? জানা গেল আজ
Kolkata: আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। তিনি নিজেই এই প্রশ্ন করে বলেন, "কেন আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি? এই কেসে অনেক বড় পর্দা ফাঁস হয়েছে।এখনও পর্যন্ত ২২টি এমন অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। মহিলা নয়, পুরুষরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছে। তদন্তের আওতায় আনা হবে।মুস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী ১৫টি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাচ্ছেন, তারিকুল রহমানের ৬টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে।" এরপর তৃণমূলের উদ্দেশে কটাক্ষ করে বলেন, "জনগণের দ্বারা রিজেক্টেড লোকেদের বলব এই সংখ্যাটা কত হবে জানি না, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা তো পাচ্ছেন, আর তৃণমূলের নেতা যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার লুট করেছেন। ডিজিপি-কে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

কলকাতা: বারো পাতার অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম! সেই ফর্ম পূরণের জন্য দিতে হচ্ছে যাবতীয় তথ্য। আবেদনকারীর নাম-ঠিকানা-বয়স তো রয়েছে পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সকলের যাবতীয় তথ্য জানতে চেয়েছে সরকার। এমনকী, সন্তান স্কুলে পড়লে, সে কোন স্কুলে পড়ে, কোন ক্লাসে পড়ে সে তথ্য়ও দিতে বলা হয়েছে ফর্মে। অন্নপূর্ণা ভান্ডারের এই ফর্ম নিয়ে ইতিমধ্যেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছে, এত তথ্য কেন চাওয়া হচ্ছে। এবার সেই নিয়েই প্রথমবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। তিনি নিজেই এই প্রশ্ন করে বলেন, “কেন আমরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছি? এই কেসে অনেক বড় পর্দা ফাঁস হয়েছে।এখনও পর্যন্ত ২২টি এমন অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। মহিলা নয়, পুরুষরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছে। তদন্তের আওতায় আনা হবে।মুস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী ১৫টি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা পাচ্ছেন, তারিকুল রহমানের ৬টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে।” এরপর তৃণমূলের উদ্দেশে কটাক্ষ করে বলেন, “জনগণের দ্বারা রিজেক্টেড লোকেদের বলব এই সংখ্যাটা কত হবে জানি না, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা তো পাচ্ছেন, আর তৃণমূলের নেতা যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার লুট করেছেন। ডিজিপি-কে সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
শুভেন্দু এও বলেন, “হিসাব করেছি, দেখেছি এসআইআরে বাদ যাওয়া নাম ও পুরুষ উপভোক্তা মিলিয়ে অন্তত ৩০ লক্ষ নাম বাদ যাবে। জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুঠ করেছে।”
