AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

BSF: বাংলাদেশের সঙ্গে ‘ডিল’! বাংলায় বাংলাদেশিদের থাকা নিয়ে এবার কোন পথে ভারত?

BSF and BGB: সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে যেমন কোনও আপোষ নয়, তেমনই অনুপ্রবেশকারীদের আর রেয়াত করা হবে না, সেই বার্তাই দেওয়া হবে বৈঠক থেকে। এই বৈঠকে বিজিবির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন সে দেশের বাহিনীর ডিজি মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

BSF: বাংলাদেশের সঙ্গে 'ডিল'! বাংলায় বাংলাদেশিদের থাকা নিয়ে এবার কোন পথে ভারত?
বাংলাদেশি অনুুপ্রবেশকারীদের পাঠানো হচ্ছে ফেরত (ফাইল ছবি)Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Jun 08, 2026 | 9:59 AM
Share

কলকাতা: নয়াদিল্লিতে আজ বিএসএফ – বিজিবি প্রধানদের বৈঠকে ‘পুশব্যাক’ নীতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেতে চলেছে, পাক সীমান্তের মতোই কড়া ব্যবস্থা এবার ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তেও, স্থির হবে বৈঠকে। অনুপ্রবেশকারীদের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের দিকে পুশব্যাক চলছেই। এই আবহের মধ্যেই আজ থেকে ১১ জুন, তিনদিন নয়াদিল্লিতে শুরু হতে চলেছে বিএসএফ-বিজিবির মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। যে বৈঠকে ‘ পুশব্যাক ‘ হতে চলেছে মুখ্য বিষয়।

বিএসএফের সূত্রে খবর, এই বৈঠক থেকে বিএসএফ বিজিবিকে পরিষ্কার করে জানিয়ে দিতে চলেছে, অনুপ্রবেশকারীদের ফেরাতেই হবে। কোনওরকম কোন অজুহাত চলবে না। প্রয়োজনে বাংলাদেশের দিকে ফেন্সিং দিতে হবে সেদেশের সরকারকে।

সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে যেমন কোনও আপোষ নয়, তেমনই অনুপ্রবেশকারীদের আর রেয়াত করা হবে না, সেই বার্তাই দেওয়া হবে বৈঠক থেকে। এই বৈঠকে বিজিবির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন সে দেশের বাহিনীর ডিজি মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

অন্য দিকে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, কয়েক হাজার বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে।

অনুপ্রবেশ রোধ এবং বাংলাদেশি অবৈধবাসীদের বিজিবি-র কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলি উঠে আসতে পারে বৈঠকে। পাশাপাশি বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগগুলি নিয়েও কথা হতে পারে দু’দেশের বাহিনীর প্রধানদের এই বৈঠকে।

একইসঙ্গে যে বিরাট পরিমাণ এলাকায় জমির অভাবে কাঁটাতার দেওয়া সম্ভবপর হচ্ছিল না, সেই সমস্যার সমাধান করেও জমি দেওয়া হয়েছে বিএসএফকে। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তারেক রহমান সরকারের বিজিবি শীর্ষ কর্তার সঙ্গে এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠককে গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লির সাউথ ব্লক।

সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশকারী সমস্যা যে শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা সম্ভব নয়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তারা। যে কারণে কূটনৈতিকভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে বলে মনে করছেন সাউথ ব্লকের কর্তারা।

বিএসএফ সূত্রে খবর, অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধবাসীদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টারও খোলা হয়েছে। অনুপ্রবেশ রুখতে এই বৈঠক থেকে বর্ডার গার্ড অফ বাংলাদেশকে আরও বেশি করে সক্রিয় হতে বলবেন বিএসএফের কর্তারা। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।

তার প্রায় ৮৬০ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতারহীন অবস্থায় রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৭৪ কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক বা অন্য কোনও কারণে কাঁটাতার বসানো সম্ভব নয়।

Follow Us