AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court on TET: TET-এ বসতে চাওয়া নিয়ে বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট

TET Examination: মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, ওবিসি প্রার্থীদের সুবিধার জন্য পর্ষদ যখন অনলাইন ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে, তখন যোগ্য টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের বঞ্চিত না করে নতুন আবেদনের সুবিধা দেওয়া উচিত। অপরদিকে, পর্ষদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে যা খোলা হয়েছে তা কোনও নতুন আবেদনের পোর্টাল নয়।

Calcutta High Court on TET: TET-এ বসতে চাওয়া নিয়ে বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট
কলকাতা হাইকোর্টImage Credit: Bhaswaran BhattacharyaUniversal Images Group via Getty Images
| Updated on: Nov 01, 2026 | 7:54 PM
Share

কলকাতা: নির্ধারিত আবেদনের সময়সীমা পার হওয়ার পর নতুন করে পোর্টাল খোলার দাবি জানাতে পারেন না কোনও প্রার্থী। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের নির্দিষ্ট আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর পর্ষদকে পুনরায় পোর্টাল খুলতে বাধ্য করার মতো কোনও আইনি অধিকার (Legal Right) প্রার্থীদের থাকে না। টেট (TET) মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

কী ঘটেছিল? মামলার বিশদ ব্যাকগ্রাউন্ড:

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের (WBBPE) নিয়োগে শম্ভু চরণ বেরা নামে এক ওবিসি-এ (OBC-A) ক্যাটাগরির প্রার্থী পরীক্ষায় বসতে চেয়েছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দিতে পারেননি। পরে পর্ষদের তরফ থেকে  আবেদন করা ওবিসি প্রার্থীদের তথ্য সংশোধনের (Correction Window) একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়। এই সুযোগটি দেখেই মামলাকারী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁর মূল দাবি ছিল, যেহেতু ওবিসি ক্যাটাগরির তথ্য সংশোধনের জন্য নতুন করে পোর্টাল খোলা হয়েছে, সেই কারণে তাঁর মতো যাঁরা নির্দিষ্ট সময়ে আবেদন করতে পারেননি, তাঁদেরও নতুন করে ফর্ম ফিলাপ করার সুযোগ দেওয়া হোক।

আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তি কী ছিল?

মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, ওবিসি প্রার্থীদের সুবিধার জন্য পর্ষদ যখন অনলাইন ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে, তখন যোগ্য টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের বঞ্চিত না করে নতুন আবেদনের সুবিধা দেওয়া উচিত। অপরদিকে, পর্ষদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে যা খোলা হয়েছে তা কোনও নতুন আবেদনের পোর্টাল নয়। বরং এটি কেবল সেইসব প্রার্থীদের জন্য একটি ‘সংশোধন ব্যবস্থা’ (Correction Window), যারা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সফলভাবে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন।

দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রিশাদ মেদোরার একক বেঞ্চ মামলাকারীর দাবি সরাসরি নাকচ করে দেয়। আদালতের  পর্যবেক্ষণ, তথ্য সংশোধনের সময়সীমা আর নতুন আবেদন গ্রহণের পোর্টাল—এই দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। আগেই জমা পড়া আবেদনের ভুল সংশোধন করতে দেওয়ার অর্থ এই নয় যে নতুন করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

বিচারপতির এও পর্যবেক্ষণ, নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করার পর যদি আদালত একজন প্রার্থীকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে নতুন করে আবেদনের অনুমতি দেয়, তবে আবেদন না করতে পারা আরও হাজার হাজার প্রার্থী একই সুবিধা দাবি করবেন। এর ফলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার আইনি শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। সময় মতো যে প্রার্থীরা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে অবিচার হবে।

আদালত স্পষ্ট জানায়, নির্ধারিত তারিখ শেষ হওয়ার পর পোর্টাল পুনরায় খোলার জন্য পর্ষদকে নির্দেশ দেওয়ার কোনও আইনি ভিত্তি নেই। সমস্ত দিক বিবেচনা করে হাইকোর্ট মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ঘোষণা করে খারিজ (Dismissed) করে দেয়।

Follow Us