AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court: কমিটির সদস্য হিসেবে টাকা নেওয়ার প্রমাণ নেই, হাইকোর্টে আগাম জামিন পেলেন ‘টালা প্রত্যয়ে’র ধ্রুবজ্যোতি

ধ্রুবজ্যোতি বসুর পক্ষে উপস্থিত হয়ে আইনজীবী জিষ্ণু সাহা যুক্তি দেন যে, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই মামলা শুরু করা হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে কোনও অপরাধের প্রমাণ দেওয়া হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Calcutta High Court: কমিটির সদস্য হিসেবে টাকা নেওয়ার প্রমাণ নেই, হাইকোর্টে আগাম জামিন পেলেন 'টালা প্রত্যয়ে'র ধ্রুবজ্যোতি
Image Credit: TV9 Bangla
| Updated on: Sep 27, 2026 | 8:52 PM
Share

কলকাতা: সম্প্রতি উত্তর কলকাতার জনপ্রিয় পুজো কমিটি ‘টালা প্রত্যয়’ নিয়ে বাধে বিতর্ক। পুজোর অন্যতম কর্তা ধ্রুবজ্যোতি বসুর বিরুদ্ধে দায়ের হয় এফআইআর। মাঠ দখলের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলায় আগাম জামিন পেলেন ধ্রুবজ্যোতি। তাঁর বিরুদ্ধে যে সব ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে,

বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন যে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১১১ নম্বর ধারাটি প্রতারণা, তোলাবাজি বা জমি দখলের মতো সাধারণ কোনও অপরাধের জন্য নয়। এটি সরাসরি সংগঠিত কোনও অপরাধের ক্ষেত্রেই দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে গত ১০ বছরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট জমা পড়েছে কি না, তা দেখা জরুরি। তবে ধ্রুবজ্যোতি বসুর বিরুদ্ধে গত ১০ বছরে এমন কোনও চার্জশিট পেশ করা হয়নি আদালতে।

কী অভিযোগ ধ্রুবজ্যোতির বিরুদ্ধে

অভিযোগ ‘টালা প্রত্যয়’ ২০১৮ সাল থেকে জমিটি দখল করে রেখেছে। লোহার গেট ও গ্রিল ভেঙে ফেলেছে। এমনকী অ্যাসোসিয়েশনের নামে একটি বিদ্যুৎ সংযোগও নেওয়া হয়েছিল। জমিটি দখল হয়ে থাকায় এলাকার শিশুরা ওই পার্ক বা খেলার মাঠ ব্যবহার করতে পারছিল না বলেও অভিযোগ ওঠে। এছাড়া, ধ্রুবজ্যোতি বসু ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পূজার চাঁদা তোলার নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়ে কার্যত তোলাবাজি করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

ধ্রুবজ্যোতি বসুর পক্ষে উপস্থিত হয়ে আইনজীবী জিষ্ণু সাহা যুক্তি দেন যে, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই মামলা শুরু করা হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে কোনও অপরাধের প্রমাণ দেওয়া হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কী পর্যবেক্ষণ আদালতের

আদালত উল্লেখ করেছে যে, অপরাধের অভিযোগে কোনও প্রাথমিক প্রমাণ পেশ করতে পারেনি, যাতে বিনএসের ১১১ নম্বর ধারার শর্তপূরণ করে। তোলাবাজির অভিযোগ সম্পর্কে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে, মূল এফআইআরে তোলাবাজির কোনও উল্লেখ ছিল না। এছাড়া, মামলার নথি বা ডায়েরিতে এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি যাতে বোঝা যায় যে ধ্রুবজ্যোতি বসু ওই পূজা কমিটির কোনও সদস্য বা কর্মকর্তা ছিলেন বা তিনি কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা পেয়েছেন।

রাজ্য সরকার একটি ব্যাঙ্ক ট্রানজাকশনের উল্লেখ করেছে যেখানে দেখা যায় যে ধ্রুবজ্যোতি চেকের মাধ্যমে পূজা কমিটির অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ টাকা জমা দিয়েছিলেন। আদালত উল্লেখ করেছে যে এই একটি লেনদেন ছাড়া আর এমন কোনও নথি দেখানো হয়নি যা প্রমাণ করে যে তিনি কারও কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। এই সব যুক্তিতে আগাম জামিন দেওয়া হয়েছে ধ্রুবজ্যোতি বসুকে।

Follow Us