Calcutta High Court: বাড়ি ভাঙার নির্দেশের বিরুদ্ধে কোনও মামলার অনুমতি নয়, মন্তব্য বিচারপতি সিনহার
Justice Amrita Sinha: বিচারপতি প্রশ্ন করেন, 'যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে, তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?' সরকারি আইনজীবী বলেন, যন্ত্রপাতির জন্য সমস্যা হচ্ছে। এরপরই আদালত সংশয় প্রকাশ করে, পুরসভার হাতে ঠিকমতো যন্ত্রপাতি আছে কি না।

কলকাতা: গার্ডেনরিচকাণ্ডের পর এবার বেআইনি নির্মাণ নিয়ে আরও কঠোর কলকাতা হাইকোর্ট। বেআইনিভাবে নির্মাণ হয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দেওয়া বাড়ি ভাঙার নির্দেশের উপর কোনওরকম স্থগিতাদেশ দিতে রাজি নয় আদালত। ‘যে আদালতই নির্দেশ দিক সেটাই থাকবে’, মন্তব্য বিচারপতি অমৃতা সিনহার। আগে মানুষের জীবন সুরক্ষিত হোক, আদালত এই ধরনের মামলায় কোনও হস্তক্ষেপই করবে না বলে জানিয়েছে। বাড়ি ভাঙার নির্দেশের বিরুদ্ধে কোনও মামলার অনুমতি নয়, মন্তব্য বিচারপতি অমৃতা সিনহার। মঙ্গলবার বিচারপতি সিনহার এজলাসে এই সংক্রান্ত তিনটি মামলার আবেদন আসে। তিনটি মামলাই গৃহীত হয়নি।
মঙ্গলবার ইকবালপুরের একটি বেআইনি নির্মাণ মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। বাড়িটির বাইরের অংশ ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই মামলায় ৩০ দিন সময় চায় পুরসভা। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘একটা বাড়ির বাইরের অংশ ভাঙতে ৩০ দিন সময় লাগে? বাড়ি ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করতে কি যন্ত্রপাতি আছে পুরসভার কাছে জানতে চাই’, মন্তব্য করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। পুরসভায় আদৌ আধুনিক যন্ত্রপাতি আছে কি না তা জানাতে পুরকমিশনারের হলফনামা তলব আদালতের। ৯ এপ্রিল জানাতে নির্দেশ দেন বিচারপতি।
এদিন আদালত জানতে চায়, বাইরের অংশের কলাম আর বিম ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বাইরের দেওয়াল ভাঙতেও এত সময় লাগে কেন? বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘যখন একটা বিল্ডিং ভাঙে, তখন কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। আর সেই বাড়ি ভাঙতে এখানে ৩০ দিন সময় লাগবে কেন?’ সরকারি আইনজীবী বলেন, যন্ত্রপাতির জন্য সমস্যা হচ্ছে। এরপরই আদালত সংশয় প্রকাশ করে, পুরসভার হাতে ঠিকমতো যন্ত্রপাতি আছে কি না।
