Calcutta High Court: বাগবাজারের পুজো নিয়ে বিরাট জট, নিম্ন আদালতের নির্দেশই বহাল রাখল হাইকোর্ট
Baghbazar Durga Puja: নিম্ন আদালত নির্দেশ দেয় যে কাস্টিং ভোটের মাধ্যমে এই কমিটি গঠন করতে হবে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নিম্ন আদালতে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানান ক্লাবের অন্যতম সদস্য রবিশঙ্কর সেনগুপ্ত। কিন্তু হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি।

কলকাতা: শহরের পুরনো পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম বাগবাজারের পুজো। উত্তর কলকাতার এই পুজোর প্রতিমা না দেখলে ঠাকুরদেখাই অসম্পূর্ণ রয়ে যায় শহরবাসীর। এবার আইনি জটের মুখে পড়েছিল সেই বাগবাজারের পুজো। অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মিলল স্বস্তি। বাগবাজারের পুজো নিয়ে নিম্ন আদালতের নির্দেশই বহাল রাখল হাইকোর্ট।বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের নির্দেশ, যে পদ্ধতিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে তা সঠিক।
কী সেই জট?
বাগবাজারের পুজো কমিটির গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বাগবাজার পুজো কমিটি এবং ক্লাব পরিচালনার কমিটির জন্য ১৪ সদস্যের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়। ভোটাভুটির পর দেখা যায়, ১২ জন ম্যানেজিং কমিটির সদস্যের মধ্যে চারজনের ক্ষেত্রে টাই হয়েছে। পাশাপাশি সম্পাদক দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোট সংখ্যা অনুসারে টাই হয়। তালিকায় মোট ৭৭ জন ভোটার থাকলেও, নির্বাচনে ৬৬ জন সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তারপরই তৈরি হয় জটিলতা। এরপর নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হয় এক পক্ষ।
নিম্ন আদালত নির্দেশ দেয় যে কাস্টিং ভোটের মাধ্যমে এই কমিটি গঠন করতে হবে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। নিম্ন আদালতে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানান ক্লাবের অন্যতম সদস্য রবিশঙ্কর সেনগুপ্ত। কিন্তু হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে সেই কাস্টিং ভোট হয়। কিন্তু আবেদনকারী দাবি করেন, নিম্ন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী যেভাবে কাস্টিং ভোট করা হয়েছে, সেই প্রক্রিয়া সঠিক নয়, সেই প্রক্রিয়াকে খারিজ করে কলকাতা হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের নির্দেশ
কলকাতা হাইকোর্ট মঙ্গলবার জানিয়েছে, পুজো ও পুজোকে কেন্দ্র করে হওয়া মেলা কোনওভাবেই বন্ধ করা যাবে না। নিম্ন আদালতের নির্দেশে যে কাস্টিং ভোট হয়েছিল, তা সঠিক। সেই পদ্ধতিকেই মান্যতা দিয়েছে আদালত। ফলে, যে কমিটি গঠন হয়েছে, সেটাই সঠিক। তাই বাগবাজারের পুজো নিয়ে আর কোনও জট রইল না।
