Calcutta High Court: ‘এ যেন ঘোরি, তারপর সুলতান, তারপর মুঘল, তারপর ব্রিটিশ…’, অধীরের মামলায় ইতিহাস মনে পড়ল বিচারপতির
High Court: বর্তমানে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদ আবু তাহেরের হাতে আছে পার্টি অফিস। অভিযোগ, ওই অফিস বাঁচাতে পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। এরপরই দলীয় কার্যালয় ফেরত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অধীর চৌধুরী।

নয়া দিল্লি: কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে বেদখল! অভিযোগ শুনে দিল্লির মসনদ দখলের ইতিহাস মনে করালেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি। কংগ্রেসের পর তৃণমূল, তৃণমূলের (TMC) পর এনসিপিআই (NCPI)। দখলের অভিযোগ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। আপাতত ওই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, “দখলদারি দেখে দিল্লির মসনদ মনে হচ্ছে। প্রথমে ঘোরি দখল নিল, তারপর সুলতান, তারপর মুঘল, আর শেষে ব্রিটিশরা।”
কী এই মামলা?
মুর্শিদাবাদের নওদায় ২০০২ সালে একটি ভবন কিনে দলীয় কার্যালয় তৈরি করে জাতীয় কংগ্রেস। ২০১৮ সালে কংগ্রেসের আবু তাহের যোগ দেন তৃণমূলে। তারপর ওই পার্টি অফিস দখল নেয় তৃণমূল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর পার্টি অফিস ফেরত চেয়ে পুলিশে অভিযোগ করে কংগ্রেস। কোনও লাভ না হওয়ায় গত ৮ অগস্ট পার্টি অফিস দখল করতে যান কংগ্রেস সমর্থকরা।
কিন্তু বর্তমানে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদ আবু তাহেরের ওই অফিস বাঁচাতে পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। এরপরই দলীয় কার্যালয় ফেরত চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অধীর চৌধুরী। ফলে অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে কংগ্রেস, তারপর তৃণমূল আর সবশেষে এনসিপিআই (NCPI)-এর দখলে আসে ওই দলীয় কার্যালয়।
‘দখলের’ ইতিহাস শুনেই বিচারপতি দিল্লির মসনদের সঙ্গে তুলনা করেন। আদালতের নির্দেশ, এই মুহূর্তে ওই কার্যালয় নিয়ে কোনও নির্দেশ দিতে পারে না আদালত। তবে মামলাকারী চাইলে সিভিল কোর্টে আপিল করতে পারেন।
