
কলকাতা: তিনি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। ২৪ ঘণ্টা আগেও তাঁর এই পরিচয়ই জানত বঙ্গবাসী। বাংলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য তাঁকে কৃতিত্ব দেন অনেকে। রাজ্যের সেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়ালই (Manoj Agarwal) এখন মুখ্যসচিব। তাহলে কি এখন একসঙ্গে দুটি পদে রয়েছেন তিনি? তা কি সম্ভব? টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারের সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন মনোজ আগরওয়াল।
কী বলছেন মনোজ আগরওয়াল?
সোমবার মুখ্যসচিব হিসেবে নিযুক্ত হলেও এখনও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পদে রয়েছেন মনোজ আগরওয়াল। এই দুটি পদ কি একসঙ্গে চালানো সম্ভব? আইন কী বলছে? প্রশ্ন শুনে মনোজ আগরওয়ালের ব্যাখ্যা, “আইনে বলা হয়েছে, সিইও-র সঙ্গে অন্য কোনও পদ দিলে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন লাগে। মুখ্যসচিব পদে নিয়োগের আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়। নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা বলেছেন, আপনি যোগ দিতে পারেন, কোনও অসুবিধা নেই।”
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হওয়ার জন্য এই মুহূ্র্তে তিনিই যে সিনিয়র, সেকথা বুঝিয়ে দেন রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব। মনোজ আগরওয়াল ১৯৯০ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। সদ্য দায়িত্ব পাওয়া মুখ্যসচিব বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের যত আইএএস অফিসার রয়েছেন, তার মধ্যে আমি সিনিয়র মোস্ট। আমাকে নির্বাচন করার জন্য আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে। উনি সিনিয়রিটিকে গুরুত্ব দিয়েছেন। আমি আইএএস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি।” আগে মুখ্যসচিব নিয়োগের ক্ষেত্রে সিনিয়রিটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন মনোজ আগরওয়াল। একটি উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “১৯৮৯ ব্যাচের অফিসারকে টপকে ১৯৯৪ ব্য়াচের অফিসারকে পদে বসানো হয়েছে।”