
কলকাতা: কেউ বলছেন ‘দাবাং’, কেউ বলছেন ‘সিংহম’। আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে (IPS Ajay Pal Sharma) ভোটের আগে ফলতা, ডায়মন্ড হারবারের অলি গলিতে যে মেজাজে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে, তাতে এমন সব উপমাই দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষককে। এরই মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হল সেই অজয় কুমার শর্মার বিরুদ্ধে।
সোমবার ফলতার তৃণমূল নেতা তথা প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের বাড়ির সামনে গিয়ে কার্যত সতর্ক করতে শোনা যায় অজয় পাল শর্মাকে। জাহাঙ্গীর যেন ভোটারদের ধমক না দেয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হয় তাঁর পরিবারকে। সেই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। জাহাঙ্গীর জানিয়ে দেন, তিনিও ভয় পাওয়ার ছেলে নন। এরপর আজ, মঙ্গলবার হাইকোর্টে ওঠে মামলা।
আদালতে অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভোটার ও প্রার্থীকে হুমকি দিচ্ছেন। তাঁকে আটকানোর আর্জি জানিয়ে মামলা হয়। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে ওঠে সেই মামলা।
শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকেনি সেই মামলা। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন পর্যন্ত কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। যারা নির্বাচনের দ্বায়িত্বে আছে, তাদের কারও কাজে হস্তক্ষেপ করা হবে না বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয। এছাড়া মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় শুনানি হয়নি এদিন।
মঙ্গলবার সকাল থেকেও দাবাং মেজাজে দেখা যায় এই আইপিএসকে। তাঁকে দেখে, জাহাঙ্গীর খানের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন অনুগামীরা। অজয় পাল শর্মার গাড়ি এগিয়ে গেলেও, কনভয়ের পিছনে থাকা সিআরপিএফের কয়েকটি গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। কেউ কেউ সন্দেশখালির ঘটনার সঙ্গেও মিল খুঁজে পান এদিন।