
কলকাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটের শেষবেলায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ফোন করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar)। বিশেষ পর্যবেক্ষককে বিশেষ নির্দেশ দিলেন সিইসি (CEC)। জানিয়ে দিলেন, সন্ধে ৬টার পরও ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের লাইন থাকলে ভোটগ্রহণ অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ নিষ্টিষ্ট সময়ের পরও যদি ভোটের লাইনে কেউ দাঁড়িয়ে থাকেন, তিনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। কমিশনের বক্তব্য, সন্ধে ৬টার পর ভোট দেওয়া যাবে না বলে অনেকে ভুয়ো খবর রটাচ্ছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ পর্যবেক্ষককে ফোন করে বিশেষ এই নির্দেশ দিলেন সিইসি।
বুধবার সকাল ৭টা থেকে দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দ্বিতীয় দফায় মোট ৪১ হাজার একটি বুথ। তার মধ্যে প্রধান বুথের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৩০১। অতিরিক্ত বুথ এক হাজার ৭০০টি। বাংলায় প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৯৩.১৯ শতাংশ। দ্বিতীয় দফাতেও এদিন সকাল থেকে বুথে বুথে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে। সকালে বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হলেও ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহ কমেনি। প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফায় ভোটের হার দেখা যেতে পারে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে। ফলে প্রথম দফার চেয়ে দ্বিতীয় দফায় ভোটের হার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিকেল ৫টার পরও বিভিন্ন জায়গায় বুথে লাইন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। কমিশনের বক্তব্য, বিকেল ৬টার পর ভোটদান করা যাবে না বলে রটানো হচ্ছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে। কিন্তু, তখনও যদি কোনও বুথে ভোটারদের লাইন থাকে, তাহলে ভোটদান অব্যাহত থাকবে বলে কমিশন জানিয়েছে। সেটাই বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ফোন করে স্পষ্ট করে দেন জ্ঞানেশ কুমার। ফলে ভোটার লাইনে দাঁড়ালে সন্ধে ৬টার পরও ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা, তা স্পষ্ট করে দিল কমিশন।