
Image Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: কলকাতায় এসে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কথাই বারবার বলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। দু’দিনের কর্মসূচি ও কয়েক দফা বৈঠকের পর আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। সেখানে তিনি বলেন, “কোনও বৈধ ভোটার যেন বাদ না যায়, কোনও অবৈধ ভোটার যেন ভোট না দিতে পারে, এটাই ছিল এসআইআরের একমাত্র উদ্দেশ্য।”
ভোট নিয়ে যা বললেন জ্ঞানেশ কুমার:
- প্রত্যেক বিধানসভায় বিশেষ অফিসার থাকবেন, যাঁরা তরুণ ভোটারদের উৎসাহিত করতে ক্যাম্পেন করবেন।
- বয়স্ক ভোটারদের কথা ভেবে সব পোলিং স্টেশন হবে একতলায়। হুইল চেয়ার ও র্যাম্পের ব্যবস্থা থাকবে।
- বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। ৮৫ বছরের বেশি বয়স্কদের বাড়ি থেকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
- ভোট দেওয়ার সময় বাইরে মোবাইল রেখে যেতে পারবেন।
- ECINET অ্যাপ ডাউনলোড করে সব তথ্য পাবেন। আগে একাধিক অ্যাপ ছিল। এখন সবটাই এই একটা অ্যাপে পাওয়া যাবে। ভোটের হারও থাকবে এই অ্যাপে। নিজের এপিক কার্ড, প্রার্থী সম্পর্কে তথ্য সবই পাওয়া যাবে এই অ্যাপে।
- ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং হবে।
- কোনও ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়া আইন কার্যকর করুন, এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব অফিসারকে।
- কোনও সরকারি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- এসপি, জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটারদের সুরক্ষার সব ব্যবস্থা করতে হবে।
- কত দফায় ভোট হবে, তা আলোচনার পর জানানো হবে। মহারাষ্ট্রে এক দফায় ভোট হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে কত দফায় ভোট হবে, তা ঠিক করা হবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে।
- ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের মন্তব্য করার অধিকার আছে। নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।
- কিছু ভোটার আছে, যাদের রাজনৈতিক দল বোঝাতে পারেনি যে যাদের নাম নেই তারা ফর্ম ৬ ভরতে পারে ও ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারে। সেই কারণে এই সংঘাত হয়েছে।
- ভোটার বা ভোটকর্মীকে ভয় দেখানো যাবে না। কমিশন এই বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নেবে।