AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ERO ও AERO-দের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, কমিশনে রিপোর্ট পাঠাল সিইও দফতর, শাস্তি হবে?

Allegation again ERO and AERO: বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, "এই ইআরও এবং এইআরও-রাই যত নষ্টের মূল। আর অনেকক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। আমি বলতে পারি, এই সবগুলিই রাজ্য সরকারের নির্দেশে ইআরও এবং এইআরও-রা করতে বাধ্য হয়েছেন। এবং বৈধ কিছু মানুষেরও নাম বাদ দিয়েছেন। এবং সেটা ইচ্ছাকৃত।"

ERO ও AERO-দের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, কমিশনে রিপোর্ট পাঠাল সিইও দফতর, শাস্তি হবে?
নির্বাচন কমিশনে কী রিপোর্ট পাঠাল সিইও দফতর?Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 03, 2026 | 10:04 PM
Share

কলকাতা: এসআইআর-র চূড়ান্ত তালিকায় ৬০ লক্ষের নাম ‘অমীমাংসিত’। কোথায় ভুল? কেন এত জনের নথি যাচাইয়ের জন্য বাকি পড়ে রয়েছে? চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর থেকেই এই প্রশ্ন উঠছে। এই আবহে ERO ও AERO-দের ভূমিকা এখন রাজ্যের সিইও দফতরের নজরে। কেস টু কেস তুলে ধরে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠাল সিইও দফতর। কমিশন কেন ইআরও এবং এইআরও-দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না, সেই প্রশ্ন তুললেন পর্যবেক্ষকরা।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই রাজনৈতিক দলগুলি নানা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। নির্বাচন কমিশন বেছে বেছে বিশেষ সম্প্রদায়কে বাদ দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকালই কংগ্রেসের মৌসম নুর অভিযোগ করেছেন, একটি সম্প্রদায়কে টার্গেট করে তাদের নাম ‘অমীমাংসিত’ তালিকায় রেখেছে। এই আবহে কমিশনে রিপোর্ট পাঠাল সিইও দফতর।

ওই রিপোর্টে পূর্ব বর্ধমানের জনৈক রহমান নামে এক ভোটারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি সাত পুরুষ ধরে একই জায়গায় বসবাস করছেন। একই বুথে ভোট দিচ্ছেন। অথচ তাঁর নাম আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে দেখানো হয়েছে। দেখা গিয়েছে, তিনি শুনানিতে তথ্য দিলেও তাঁর ডকুমেন্টস আপলোড করা হয়নি। এই ধরনের তথ্য জোগাড় করে আপাতত পাঠানো হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। এই ইআরও-দের শাস্তি দেওয়া হয় কি না, তা নিয়ে এবার কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

এই নিয়ে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “এই ইআরও এবং এইআরও-রাই যত নষ্টের মূল। আর অনেকক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে। আমি বলতে পারি, এই সবগুলিই রাজ্য সরকারের নির্দেশে ইআরও এবং এইআরও-রা করতে বাধ্য হয়েছেন। এবং বৈধ কিছু মানুষেরও নাম বাদ দিয়েছেন। এবং সেটা ইচ্ছাকৃত। একটাই লক্ষ্য, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষ্যাপানো। এসবের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করলে নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল উঠবে।”