
কলকাতা: চোরবাগানে কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল? দুর্ঘটনার আগের মুহূর্তে ‘মণ্ডপ ভাঙা’-র ঘোষণা কারা এবং কেন করেছিল? এসব তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কুণাল আগরওয়াল। তিনি জানালেন, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, চোরবাগানে দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ও পুরনো ভিডিয়ো ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহার থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শনিবার চোরবাগানে দুর্ঘটনার সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। এদিন কুণাল আগরওয়াল বলেন, প্রস্থান পথে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে যায়। ফলে ওই জায়গাটা ‘ব্লক’ হয়ে গিয়েছিল। সেইসময় ঘোষণা হয়েছিল, “মণ্ডপের দিকে কেউ আসবেন না। মণ্ডপ ভেঙে গেছে। মণ্ডপের অবস্থা খারাপ।” এদিন কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) বলেন, “ঘোষণা কারা করেছিল, তা এখনও জানা যায়নি। তদন্ত চলছে।” একইসঙ্গে তিনি জানান, মণ্ডপ ভাঙার কোনও কিছু তাঁরা পাননি।
তিনি জানান, ৩০টি সিসিটিভি রয়েছে চোরবাগানে। তার মধ্যে ১৩টি সিসিটিভি ফুটেজ তাঁরা পেয়েছেন। বাকি পাননি। যে সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। চোরবাগানকাণ্ডের তদন্তভার নিয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।
এদিকে, চোরবাগানকাণ্ডে ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে কোচবিহারে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৩(২) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। কুণাল আগরওয়াল বলেন, পুরনো একটি ঘটনার ভিডিয়ো, যেখানে ধৃত যুবককে চোখ তুলে নেওয়ার কথা বলতে দেখা গিয়েছিল, সেটিই চোরবাগানের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার তদন্তে আগামিকাল এসটিএফের একটি দল যাবে। গুজব ছড়ানোর পিছনে বাংলাদেশ যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।