
কলকাতা: আবাসনে-আবাসনে জনসংযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শেক্সপিয়র সরণি থানার সামনে স্ট্রিট কর্নারে বক্তব্য রাখার কথা ছিল তাঁর। সেখানে বক্তব্য রাখার পর মুখ্যমন্ত্রী শেক্সপিয়র সরণি থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে গঙ্গা-যমুনা আবাসনে যান। সেখানে ছিলেন ‘নীলান্বর অ্যাপার্টমেন্ট’ এবং ‘ভিক্টোরিয়া অরবিটের’ আবাসিকরাও। শেষে অঙ্কুর নামের একটি আবাসনে গিয়েছিলেন তিনি। কমিউনিটি হলে আবাসিকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে যান ডিম্পল কোর্ট, এমবাসি বিল্ডিং এবং শ্যাম কুঞ্জে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই রূপ জনসংযোগ নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।
‘গঙ্গা যুমনার’ বহুতলের আবাসিকদের বক্তব্য, এই প্রথম নয়, এর আগেও মমতা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এসেছিলেন এই আবাসনে। সকলেই মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে আপ্লুত। তবে ভোটের পরে মুখ্যমন্ত্রী পদে চতুর্থবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে চান কি না তা কেউ মুখ ফুটে বলেননি।
মূলত, এই আবাসনগুলিতে অবাঙালি ভোটারের সংখ্যা বেশি। সেই ভোট পেতেই এই ধরনের জনসংযোগ তৃণমূল সুপ্রিমো। এ বার গ্রাম, ছোট শহর এবং কলকাতার রাজপথ ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের বহুতলের অবাঙালি ভোটারদের কাছেও যাচ্ছেন রাজ্যের সম্প্রতির বার্তা নিয়ে। মূলত, ভবানীপুর এলাকার একটি বিরাট অংশে গুজরাতি, মারোয়ারি এবং পাঞ্জাবীদের বসবাস। ফলে, এ বারের প্রচারে বহুকালের ভোটারদেরও নিজের দিকে টানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
প্রসঙ্গত,ভোটের প্রচারে সকলেই জন-সংযোগে ব্যস্ত। রবিবার ঝাড়গ্রামে জনসভা শেষে ফেরার পথে হঠাৎ রাস্তার ধারের ঝালমুড়ির দোকানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর এই বিরল জনসংযোগের সাক্ষী থাকল ঝাড়গ্রামের রাজকলেজ মোড়। ঝাড়গ্রামের সভামঞ্চ থেকে হেলিকপ্টারে ওঠার আগে হঠাৎই তিনি রাস্তার দিকে এগোন। সেখানে রাজকলেজ মোড়ের ‘স্বপনলালের স্পেশ্যাল মুড়ি’র দোকানে সবাইকে চমকে দিয়ে ঢুকে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই মুড়ি নেন। এর আগে এই ঝাড়গ্রামেই প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চায়ের দোকানে গিয়ে চপ ভেজেছিলেন।