Congress on Nandigram Bye-Election: নন্দীগ্রাম নিয়ে আশঙ্কায় কংগ্রেস, সোজা CEO-র কাছে অভিযোগ শুভঙ্কর সরকারের, কী বললেন?

West Bengal Bye Election Updates: শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, গতকাল রাতে মালদহ জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ শ্রী ঈশা খান চৌধুরী মালদহ জেলা পরিষদের তিনজন সদস্যকে নিয়ে পাকুড় থেকে ফিরছিলেন। মালদহ স্টেশনে পৌঁছানো মাত্রই দেখা যায়, স্টেশনের বাইরে বিজেপির বিশাল বাহিনী জমায়েত করেছে।

Congress on Nandigram Bye-Election: নন্দীগ্রাম নিয়ে আশঙ্কায় কংগ্রেস, সোজা CEO-র কাছে অভিযোগ শুভঙ্কর সরকারের, কী বললেন?
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।Image Credit source: PTI

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Oct 06, 2026 | 9:53 AM

নন্দীগ্রাম: উপ-নির্বাচনে অশান্তির আশঙ্কা। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে (Nandigram Bye-Electon) ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ করে এবং ভোটে অশান্তির আশঙ্কা প্রকাশ করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-কে অভিযোগ জানালেন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি শুভঙ্কর সরকার (Subhankar Sarkar)।

শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, কংগ্রেস কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয়-আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে। সশস্ত্র বহিরাগতদের জমায়েত হয়েছে বলেও অভিযোগ কংগ্রেসের। রাতের অন্ধকারে বাইক বাহিনী এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এবং ভয় দেখাচ্ছে বলেই অভিযোগ। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি করলেন কংগ্রেস সভাপতি। শান্তিপূর্ণভাবে যাতে ভোট হয়, তার আর্জি জানান তিনি।

কী অভিযোগ?

শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, গতকাল রাতে মালদহ জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ শ্রী ঈশা খান চৌধুরী মালদহ জেলা পরিষদের তিনজন সদস্যকে নিয়ে পাকুড় থেকে ফিরছিলেন। মালদহ স্টেশনে পৌঁছানো মাত্রই দেখা যায়, স্টেশনের বাইরে বিজেপির বিশাল বাহিনী জমায়েত করেছে। ট্রেনের ভিতরে ঢুকে পুলিশ ওই তিন জেলা পরিষদ সদস্যকে কোনো কারণ ছাড়াই আটক করে।

কংগ্রেস সভাপতির দাবি, ওই তিনজন সদস্য কংগ্রেসে যোগদান করতে চলেছিলেন এবং মালদা জেলা পরিষদে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেছিলেন।

তাঁর বক্তব্য, “আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই রাজ্যে যারা বিজেপির বিরোধিতা করছেন, তাদেরই নানাভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। কেউ কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করলে কিংবা কেউ কংগ্রেসে যোগদান করলেই পুলিশ দিয়ে মিথ্যা মামলায় তাঁদের হেনস্তা করা হচ্ছে। অথচ যারা ছদ্ম বিজেপি বিরোধী, যারা পরোক্ষে বিজেপিকে সমর্থন করছেন এবং যারা সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন, তারা হাজারো অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েও মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। চরমতম অপরাধে অভিযুক্ত হলেও তাদের সাত খুন মাফ হয়ে যাচ্ছে। এক চরম নৈরাজ্যের শাসন চলছে পশ্চিমবঙ্গে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পুলিশ যাদের আটক করেছে, তাদের জন্য মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টের পুলিশি সুরক্ষার নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশ অমান্য করে পুলিশের এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ বেআইনি”। পথে নেমে প্রতিবাদ ও আইনি লড়াইয়ের কথা বলেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us