AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR: ২ জেলা বাদে ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ‘অমিল’ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

SIR: ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখার জন্য ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হয় রাজ্যে। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, উত্তর ২৪ পরগনা, কোচবিহার, পশ্চিম বর্ধমানে ৫০ শতাংশের নীচে ম্যাপিং অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের তালিকায় ৫০ শতাংশের নিচে মিল রয়েছে। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় জায়গা পাওয়া ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার ২০০২ সালের তালিকায় ছিলেন না।

SIR: ২ জেলা বাদে ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে 'অমিল' নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
কী বলছে নির্বাচন কমিশন?
| Edited By: | Updated on: Oct 22, 2025 | 5:29 PM
Share

কলকাতা: খুব শীঘ্র রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (SIR) শুরুর ঘোষণা করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। সেই আবহে ‘ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিং’-এ যে চিত্র সামনে এসেছে, তাতে রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলা বাদ দিয়ে রাজ্যের সব জেলায় ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। আর যে ‘অমিল’ সামনে এসেছে, তাতে নানা প্রশ্ন উঠছে।

২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখার জন্য ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হয় রাজ্যে। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, উত্তর ২৪ পরগনা, কোচবিহার, পশ্চিম বর্ধমানে ৫০ শতাংশের নীচে ম্যাপিং অর্থাৎ ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের তালিকায় ৫০ শতাংশের নিচে মিল রয়েছে। এই জেলাগুলিতে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় জায়গা পাওয়া ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার ২০০২ সালের তালিকায় ছিলেন না। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মিল মাত্র ৫০ শতাংশ। সীমান্তবর্তী এলাকা পশ্চিম বর্ধমানে ম্যাপিং ৪০ শতাংশের নিচে। অর্থাৎ বর্তমান ভোটার তালিকায় থাকা ৬০ শতাংশের বেশি ভোটারের নাম ২০০২ সালের পর উঠেছে।

কোচবিহারে ৪৬ শতাংশ মিল পাওয়া গিয়েছে। আবার কালিম্পংয়ে ৬০ শতাংশ মিল পাওয়া গিয়েছে। করুণ ছবি উত্তর ২৪ পরগনায়। সেখানে মিল পাওয়া গিয়েছে ৪১ শতাংশ। কমিশনের যুক্তি, মৃত ভোটার এবং বাসিন্দারা অন্য় জায়গায় চলে যাওয়ায় ম্যপিং ১০০ শতাংশ মেলা সম্ভব নয়। কিন্তু, যেসব জেলায় ৫০ শতাংশের বেশি ভোটারের নাম ২০০২ সালের পর উঠেছে, সেইসব জেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। অনুপ্রবেশকারীদের জন্যই ম্যাপিংয়ে এত অমিল কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে।

বুধবার থেকে দিল্লিতে সব রাজ্যের সিইও-দের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই বৈঠকের শেষে বাংলায় এসআইআর-র ঘোষণা করা হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা বেড়েছে। আর এসআইআর হলে সীমান্তবর্তী এই জেলাগুলিতে কতজনের নাম বাদ যেতে পারে, তা নিয়েও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তবে রাজ্যের শাসকদল হুঁশিয়ারি দিয়েছে, এসআইআর-র নামে একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লেও রাস্তায় নামবে তারা। তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “নির্বাচন কমিশন কান খুলে শুনে রাখুক, কোনও বৈধ ভোটারের যেন নাম বাদ না যায়। বিজেপির তাঁবেদারি করে বিহারে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এখানে সেটা করা হলে সর্বশক্তি দিয়ে রোখা হবে।”

Follow Us