ECI: সামনের সপ্তাহেই SIR ঘোষণা? ম্যাপিংয়ের কাজ শেষ করতে নির্দেশ কমিশনের
Election Commission of India: বাংলায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা শুরুর আগে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। কারণ, জেলায় জেলায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকার পার্থক্য কতটা, তা জানা যাবে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ে। এতে SIR-র ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কলকাতা: বাংলায় দ্রুত বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা(SIR) শুরু করতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। SIR শুরুর আগে ‘ম্যাপিং অ্য়ান্ড ম্যাচিং’-র কাজ শেষ করা দরকার। এর জন্য সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, সেই সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ হয়নি। তাই দ্রুত কাজ শেষের জন্য জেলার আধিকারিকদের বার্তা দিল কমিশন। আগামিকালের মধ্যে কাজ শেষ করে এসপ্তাহের মধ্যে ওয়েবসাইটে আপলোড করতে নির্দেশ দেওয়া হল।
২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখাই হল ‘ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিং’। বুধবার (১৫ অক্টোবর)-র মধ্যে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ের কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু, বিভিন্ন জেলায় এখনও সেই কাজ শেষ হয়নি। এদিন ম্যাপিং বা ভোটার তালিকা মেলানো সংক্রান্ত বৈঠকে সেই ছবি উঠে আসে।
সূত্রের খবর, ম্যাপিংয়ের কাজে সবচেয়ে পিছিয়ে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি। বন্যার কারণে পিছিয়ে তারা। সেদিকে নজর রয়েছে কমিশনের। এদিন বৈঠকে সব জেলার এডিএমকে কমিশন নির্দেশ দেয়, আগামিকালের মধ্যে কাজ শেষ করে এসপ্তাহের মধ্যে ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোড করতে হবে। প্রশ্ন উঠছে, চলতি সপ্তাহে ওয়েবসাইটে তথ্য আপলোড হওয়ার পর কি পরের সপ্তাহে SIR-র ঘোষণা করবে কমিশন?
বাংলায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা শুরুর আগে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। কারণ, জেলায় জেলায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকার পার্থক্য কতটা, তা জানা যাবে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ে। এতে SIR-র ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখনও পর্যন্ত ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ে যে যে তথ্য সামনে এসেছে, সেখানে বিভিন্ন জেলায় ২০০২ ও ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় বিস্তর ফারাক দেখা গিয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রে সেই ফারাক ৪৫ শতাংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ ফারাক।
বাংলায় SIR হলে এক কোটি নাম বাদ পড়বে বলে বিজেপি বারবার দাবি করছে। রাজ্যের শাসকদল আবার জানিয়েছে, একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে তারা আন্দোলনে নামবে। এই পরিস্থিতিতে SIR-র আগে আঁটঘাঁট বেঁধে নামতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।
