Dry Day Rules: কমিশন বলছে, তারা কোনও নির্দেশ দেয়নি! তাহলে রাজ্য জুড়ে ‘ড্রাই ডে’ কার নির্দেশে?

EC On Dry Day Rules: কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মদের দোকান বন্ধ রাখার জন্য এমন কোনো নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তিনি এই বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে জানিয়েছেন, কেন নির্ধারিত সময়ের আগে দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে, তা নিয়ে আবগারি দফতরই স্পষ্ট বলতে পারবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

Dry Day Rules: কমিশন বলছে, তারা কোনও নির্দেশ দেয়নি! তাহলে রাজ্য জুড়ে ড্রাই ডে কার নির্দেশে?
ড্রাই ডে নিয়ে কমিশনের নির্দেশImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Apr 22, 2026 | 2:23 PM

কলকাতা: ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে মদের দোকান বন্ধ থাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিভ্রান্তি। যেখানে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ‘ড্রাই ডে’ বা মদের দোকান বন্ধ থাকার কথা, সেখানে তার অনেক আগে থেকেই দোকান বন্ধ রাখা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক  মনোজ আগরওয়াল এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

কমিশনের সাফাই

কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মদের দোকান বন্ধ রাখার জন্য এমন কোনো নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তিনি এই বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে জানিয়েছেন, কেন নির্ধারিত সময়ের আগে দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে, তা নিয়ে আবগারি দফতরই স্পষ্ট বলতে পারবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

দোকানদারের ক্ষোভ

কমিশনের নির্দেশ ছাড়াই রাজ্য আবগারি দফতরের নির্দেশে কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় সোমবার থেকেই মদের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মূলত ২০ তারিখ থেকেই মদের দোকানগুলি বন্ধ করে তালা লাগিয়ে সিল করে দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীদের যেমন ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তেমনই সাধারণ মানুষও বিভ্রান্ত।

বিভ্রান্তির সূত্রপাত

 নিয়ম অনুযায়ী, যে কেন্দ্রে ভোট থাকে তার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় কমিশন। কিন্তু এবারের আবগারি দফতরের নির্দেশিকায় সময়সীমা কার্যত দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় এই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। প্রথম দফায় ২৩ তারিখে ভোট, সেই হিসাব অনুযায়ী ২০ তারিখ দোকান বন্ধ ঠিক রয়েছে। কিন্তু ২৯ তারিখ দ্বিতীয় দফার ভোট! তবুও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জায়গা এমনকি, কলকাতাতেও মদের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, মদের দোকান বন্ধ রাখার জন্য তাদের তরফ থেকে কোনও নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি।

কার নির্দেশে ভোট শুরুর বহু আগে থেকেই দোকান বন্ধ রাখা হল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও আবগারি দফতরের কাজের মধ্যে এই সমন্বয়ের অভাব এখন চর্চার কেন্দ্রে।

Follow Us