
কলকাতা: দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে কলকাতা পুরসভার তরফে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২১ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা ধরে চালু থাকবে এই পরিষেবা। শহর জুড়ে মোট ২৭টি ঘাটে নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নিরঞ্জনের সময়সীমা: ২১ থেকে ২৪ অক্টোবর, ২০২৬। দিনরাত অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা পরিষেবা চালু থাকবে।
ঘাটের সংখ্যা: কলকাতা পুরসভা এলাকার মোট ২৭টি ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা।
পুরকর্মী মোতায়েন: বিভিন্ন পদ ও দফতরের মোট ৬১১ জন পুরকর্মী দায়িত্বে থাকবেন।
গুরুত্বপূর্ণ ঘাট: বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, দই ঘাট, নিমতলা ঘাট, আহিরিটোলা ঘাট, বিচালিঘাট, শোভাবাজার ঘাট, রতনবাবুর ঘাট, সর্বমঙ্গলা ঘাট ও কুমোরটুলি ঘাট-সহ মোট ২৭টি ঘাটে ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরিষেবা: ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন থাকবে কলকাতা পুরসভার ৪৩টি মেডিক্যাল টিম। জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় থাকবে ৭টি অ্যাম্বুল্যান্স। ঘাটগুলিতে নজরদারির জন্য ৮টি ভেক্টর কন্ট্রোল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। রতনবাবুর ঘাট থেকে বিচালিঘাট পর্যন্ত জলপথে এনডিআরএফের ৮টি দল মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি দলে ৩৫ জন করে কর্মী থাকবেন। ৫৬ জন সিভিল ডিফেন্স স্বেচ্ছাসেবককে মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে থাকবে ৭টি মোটরচালিত নৌকা, লাইফ জ্যাকেট, লাইফ বয় ও ডুবুরি।
এছাড়া, সাধারণ মানুষের জন্য ২৮টি জলের ট্যাঙ্কার রাখা হয়েছে। পুরসভার তরফে ১২টি বায়ো-টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘাটগুলিতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতার জন্য নির্দেশিকা ও পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম থাকবে। নিরঞ্জন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কলকাতা পুরসভার পার্কস অ্যান্ড স্কোয়ার, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, আলো, সিভিল ও স্বাস্থ্য দফতরের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ, সেচ দফতর, বিপর্যয় মোকাবিলা ও সিভিল ডিফেন্স দফতর, এনডিআরএফ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় রাখা হচ্ছে।