Abhishek Banerjee: ১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে দেওয়ার ‘হুমকি’ দিয়েছিলেন অভিষেক! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে CBI চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি

ED summons Abhishek Banerjee: ২০১৭ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানহাত বলে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বাড়িতেই একটা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেই বৈঠকে একাধিক বিস্ফোরক বিষয় আলোচনা করা হয়েছিল, তারই উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। বৈঠকে কী কী আলোচনা হয়েছিল?

Abhishek Banerjee: ১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন অভিষেক! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে CBI চার্জশিটে বিস্ফোরক দাবি
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়Image Credit source: PTI

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Jun 15, 2026 | 1:28 PM

কলকাতা: প্রাথমিক দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) মামলায় ‘বিগ প্লেয়ার’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)? ইডির হাতে এবার বিস্ফোরক তথ্য। আজ প্রাথমিক দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইতিমধ্যেই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা গিয়েছে, সিবিআইয়ের একটি চার্জশিটকে হাতিয়ার করেই তলব করা হয়েছে অভিষেককে। সিবিআইয়ের (CBI) চার্জশিটে সুজয়কৃষ্ণর (Sujay Krishna Bhadra) রেকর্ডিংয়ে জনৈক নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। সেই অভিষেক তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকই কি না তা খতিয়ে দেখতেই অভিষেককে তলব করা হয়েছে। তবে, চার্জশিটের তথ্য ধরে একাধিক বিস্ফোরক সূত্রও উঠে এসেছে।

সিবিআইয়ের চার্জশিটে কী কী তথ্য উঠে এসেছে?

২০১৭ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানহাত বলে পরিচিত ছিলেন। সিবিআই সূত্রে খবর, তাঁর বাড়িতেই একটা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে একাধিক বিস্ফোরক বিষয় আলোচনা করা হয়েছিল, তারই উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। বৈঠকে কী কী আলোচনা হয়েছিল?

চার্জশিট সূত্রে খবর, সুজয় বৈঠকে কুন্তল, শান্তনুদের জানিয়েছিলেন, অভিষেক জানতে পেরেছেন যে প্রাথমিক নিয়োগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মোটা টাকা নিচ্ছেন। পার্থ যে টাকা নিয়েছেন, তার ভাগ তিনি কেন পাননি, সেই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন অভিষেক। এমনকী, টাকা ভাগাভাগি নিয়ে পার্থ ও অভিষেকের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধে গিয়েছিল। সিবিআই চার্জশিট সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই যে বেআইনি নিয়োগ হয়ে গিয়েছিল, তার জন্য ১৫ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অভিষেক। টাকা না পেলে প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থীকে গ্রেফতারির হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এমনকী, জয়েনিং আটকানোরও হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে সুজয়কৃষ্ণ মারফত আরও ২০ কোটি দেওয়া হত অভিষেককে। অভিযোগ, সব মিলিয়ে চাকরি বিক্রি করে বাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা তোলার একটা টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র। আর সেই টাকা তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল শান্তনু, কুন্তলদের।

কীভাবে ভাগ করা হয়েছিল ১০০ কোটি টাকা?

সিবিআই চার্জশিট সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০০ কোটির মধ্যে ২০ কোটি অভিষেক, ২০ কোটি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ২০ কোটি মানিক ভট্টাচার্য, বাকি টাকা সুজয় তাঁদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার ছক কষেছিলেন। গোটা বিষয়ে জানতে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যই তলব করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অবশ্যই চার্জশিটে উল্লিখিত অভিষেক, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক কি না তাও জানতে তলব করা হয়েছে।

Follow Us