
কলকাতা: ‘নতুন সরকারের উচিত এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা।’ শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ খুনে এমনই দাবি কলকতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। প্রসঙ্গত, চন্দ্রনাথ খুনের ঘটনায় তোলপাড় চলছে বঙ্গ রাজনীতির আঙিনায়। শুভেন্দু বলছেন, “দুই তিনদিন ধরে রেইকি করে পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন ডিজিপি।” কিন্তু কারা করল খুন? তা নিয়ে রাজনৈতিক আঙিনায় তোলপাড়ের মধ্যেই বিজেপি আঙুল তুলছে তৃণমূলের দিকেই।
যদিও ফিরহাদ কিন্তু গোটা ঘটনার রীতিমতো নিন্দা করলেন। চন্দ্রনাথকে যে আগে তিনি বিধানসভায় দেখেছেন তাও বললেন। এও বলছেন, ভালো ছেলে বলেই সুনাম ছিল শুভেন্দুর আপ্ত সহায়কের।তিনি বলেন, “ছেলেটার সঙ্গে আমার বিধানসভায় দেখা হতো। অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। কারা করল পুলিশ প্রশাসনের উচিত তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া। প্রয়োজন হলে নতুন সরকারের উচিত এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করা। এটা রাজ্যের মানুষ কোনওভাবেই মেনে নেবে না। এভাবে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ড মানুষ মেনে নেয় না। তদন্ত করে এই ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দেওয়া উচিত। আমি ওই পরিবারের পাশে রয়েছি। যথেষ্ট সমব্যথী।”
এদিকে এ ঘটনায় জোরকদমে শুরু হয়েছে তদন্ত। খুনের প্যাটার্ন দেখে তদন্তকারীদের অনুমান, সুপারি কিলারদের দিয়ে আগে থেকে সমস্ত পরিকল্পনা করে হত্যা করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে। ইতিমধ্যেই ফরেন্সিক টিম সমস্ত নমুনা সংগ্রহ করেছে। মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় দুষ্কৃতীরা গুলি করে চন্দ্রনাথকে। মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। তখনই ঘটে এই ঘটনা। চন্দ্রনাথের আসল বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের কুলুপ গ্রামে। কিন্তু কাজের সূত্রে তিনি বারাসতে ভাড়া থাকতেন বলে খবর।