MLAs oath ceremony: মাছে-ভাতে বাঙালি! বিধানসভায় লাঞ্চে কবজি ডুবিয়ে মাছ-ভাত খেলেন MLA-রা

Fish Rice at Bengal Assembly: নির্বাচনী প্রচারের সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ঘাসফুল শিবিরের নেতারা বারবার দাবি করছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালিদের মাছ, মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। তারই পাল্টা একাধিক বিজেপি প্রার্থীকে মাছ নিয়ে প্রচার করতে দেখা যায়।

MLAs oath ceremony: মাছে-ভাতে বাঙালি! বিধানসভায় লাঞ্চে কবজি ডুবিয়ে মাছ-ভাত খেলেন MLA-রা
বিধায়কদের জন্য মাছ-ভাতের ব্যবস্থা করেছিলেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়, জমিয়ে খেলেন কৌস্তভ বাগচীImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

May 13, 2026 | 4:31 PM

কলকাতা: মাছে-ভাতে বাঙালি। বিধানসভায় বিধায়কদের শপথের দিনই স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। বুধবার বিধায়কদের শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। সব বিধায়ককে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাপস রায় বলেন, “সবার জন্য মাছ-ভাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।” বিজেপি বিধায়করাও দুপুরে সেই মাছ-ভাত খেয়ে তৃণমূলের নাম না করে বুঝিয়ে দিলেন, বাঙালির প্রিয় মাছ বিজেপি কেড়ে নেবে না।

আজ (বুধবার) ও আগামিকাল বিধানসভায় বিধায়কদের শপথ অনুষ্ঠান রয়েছে। সেখানেই নব নির্বাচিত বিধায়কদের জন্য মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয়েছে বলে সকালেই জানিয়েছিলেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। বিজেপি বিধায়কদের আরাম করে সেই মাছ-ভাত খেতে দেখা গেল।

মাছ-ভাত খেয়ে কী বললেন ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী?

মাছ হাতে নির্বাচনী প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল ব্যারাকপুর থেকে জয়ী বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীকে। এদিন মাছ-ভাতে মজলেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজনের মাঝে বললেন, “আমাকে যেমন প্রচারের সময় মাছ হাতে দেখা গিয়েছে, তেমনই প্রত্যেকদিন কার্যকর্তাদের যখন মিলিত হতাম, দুপুরে মাছ-ভাত খেতাম। মাছ ছাড়া আমার চলে না। আমি সপ্তাহে ২ দিন আমার আস্থার জায়গা থেকে নিরামিষ খাই। তবে নিরামিষ খেতে কষ্ট হয়। মায়ের বকাঝকায় নিরামিষ খেতে হয়। আমি খুব একটা নিরামিষাশী নয়।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকের মাছটা খুব সুন্দর। আমাদের যাত্রা শুভ হবে। স্বাভাবিকভাবে আমরা মাছ খাব। বাঙালির মাছ ছাড়া চলবে না।”

এর আগে সোমবার নবান্নেও যখন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন, সেখানেও ছিল মাছের পদ। বিধায়ক এবং জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকের আগে মেনুতে ছিলেন ফিশ ফ্রাই। শুধু ফিশ ফ্রাই নয়, ছিল চিকেন পকোড়া, স‍্যান্ডউইচ, ভেজিটেবল চপ, চার- পাঁচ রকমের মিষ্টি এবং রসগোল্লা। গত ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতেই মাছ-ভাতের ব্যবস্থা করে বিজেপি।

মাছ খাওয়া নিয়ে কেন এত আলোচনা?

নির্বাচনী প্রচারের সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ঘাসফুল শিবিরের নেতারা বারবার দাবি করছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালিদের মাছ, মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে। তারই পাল্টা একাধিক বিজেপি প্রার্থীকে মাছ নিয়ে প্রচার করতে দেখা যায়। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, ফল বেরনোর পর থেকে বাঙালির মাছ-ভাতের ছবি তুলে ধরে বিজেপি বুঝিয়ে দিতে চাইছে, তৃণমূল মিথ্যা প্রচার করছিল।

Follow Us